দিল্লি যাচ্ছেন অমরিন্দর, সনিয়া ছাড়াও যাবেন শাহ, নাড্ডার কাছে? বিজেপিতে যাওয়ার জোর জল্পনা

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদিকে নভজ্যোত সিং সিধু (navjyot singh sidhu) পঞ্জাব  কংগ্রেস সভাপতি (punjab congress president) ছাড়লেন আচমকা, অন্যদিকে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (captain Amrinder Singh)আজ বিকেলেই  নয়াদিল্লি রওনা দিচ্ছেন। দুটি ঘটনা ঘিরে পঞ্জাবের রাজনীতি (punjab politics) কোন দিকে মোড় নেয়, রাজনৈতিক মহলের কৌতূহল তুঙ্গে।  দুদিনের রাজধানী সফরে অমরিন্দর কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গাঁধীর সঙ্গে দেখা করতে পারেন। অমরিন্দরের ঘনিষ্ঠ সূত্রের খবর, তিনি সৌজন্য সাক্ষাত্ করবেন নেত্রীর সঙ্গে। পরপর দুদফায় রাজ্য চালানো ও পার্টিতে গুরুত্বপূর্ণ  ভূমিকা পালনের সুযোগ দেওয়ায় তাঁকে ধন্যবাদ জানাতে চান ক্যাপ্টেন। কয়েকটি সূত্র আবার অমরিন্দরের শিবির বদলে বিজেপিতে (bjp) যাওয়ার সম্ভাবনার কথা বলছে। তিনি নাকি বিজেপি সভাপতি জে পি নড্ডা, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে পারেন।

ক্যাপ্টেনের সফরের দিকে কংগ্রেস শিবির নজর রাখছে, তিনি শেষ পর্যন্ত কী করবেন। যদিও ক্যাপ্টেনের মিডিয়া উপদেষ্টা রবীন ঠুকরাল যাবতীয় জল্পনা উড়িয়ে ট্যুইট করেছেন, এই দিল্লি যাত্রাকে খুব বেশি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। উনি ব্যক্তিগত সফরে যাচ্ছেন। বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে দেখা করবেন। নতুন মুখ্যমন্ত্রীর জন্য দিল্লির কাপুরথালা হাউসও খালি করে দেবেন। অহেতুক জল্পনার কোনও প্রয়োজন নেই।

কিন্তু তাতে জল্পনা থামার নয়।  কেননা তাঁকে সরিয়ে গত সোমবার এআইসিসি নেতা রাহুল গাঁধীর সামনে চামকুর সাহিবের তিনবারের কংগ্রেস বিধায়ক চরনজিত্ সিং চান্নির ২৭তম মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথগ্রহণ কী করে মেনে নেন ক্যাপ্টেন? চান্নির শপথের আগে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে ক্ষুব্ধ অমরিন্দর জানিয়েছিলেন, বারবার কংগ্রেস নেতৃত্বের অপমান, অবহেলার শিকার হয়ে রাজনৈতিক ভবিষ্যতের কথা ভেবে তিনি দরজা খোলা রাখছেন। তাঁর যাবতীয় ক্ষোভ বর্ষিত হয় সিধুর ওপর। তিনি জানিয়ে দেন, সিধুর মতো বিপজ্জনক লোকের হাত থেকে দেশ বাঁচাতে তিনি ব্যক্তিগত স্বার্থ বিসর্জন দিতেও প্রস্তুত।

অমরিন্দর জানিয়েছিলেন, তিন সপ্তাহ আগেই তিনি সনিয়া গাঁধীর সঙ্গে আলোচনায় ইস্তফা দিতে চান, সনিয়াই তাঁকে চালিয়ে যেতে বলেন। অমরিন্দর বলেন, আমি জয়ের পরই ইস্তফা দিতে  রাজি ছিলাম, কখনই হারের পর নয়। উনি আমায় ডেকে ইস্তফা দিতে বললেই দিতাম।

ঘটনা হল, জাতীয় নিরাপত্তার মতো ইস্যুতে বরাবর বিজেপির সুরেই কথা বলতে শোনা গিয়েছে অমরিন্দরকে। ইস্তফা দেওয়ার সময়ও  তিনি বলেছিলেন,   পঞ্জাব সীমান্ত রাজ্য। সেদিকে যেন খেয়াল রাখা হয়। পাশাপাশি তিনি রাহুল গাঁধী, প্রিয়ঙ্কা গাঁধীকেও অপরিপক্ক আখ্যা দিয়েছিলেন।

ঘটনাচক্রে অমরিন্দর যেদিন নয়াদিল্লি যাচ্ছেন, সেদিনই কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন কানহাইয়া কুমার, জিগনেশ মেভানিরা।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.