নজরে উত্তরপ্রদেশ ভোট? সীতাপুরে গেস্ট হাউসের ঘরে ঝাঁট, ‘সাফাই অভিযান’ প্রিয়ঙ্কার

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: তাঁকে সামনে রেখেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা ভোটে (uttarpradesh election) লড়ার স্পষ্ট ইঙ্গিত দিয়েছে কংগ্রেস। প্রিয়ঙ্কা গাঁধী বঢরাও (priyanka gandhi) ঝাঁপিয়ে পড়েছেন। সামনেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কেন্দ্র বারাণসীতে মহা সমাবেশ করে উত্তরপ্রদেশ ভোটপ্রচারের সূচনা করার কথা তাঁর। তার মধ্যেই গতকাল খেরি লখিমপুরে কৃষক মৃত্যুর (farmer death) খবর পেয়ে সেখানে যাবেন বলে রওনা দেন উত্তরপ্রদেশ কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক। কিন্তু রাতেই তাঁকে  সীতাপুরে আটকে দেয় পুলিশ। শোনা যাচ্ছে, তাঁকে রাজ্যের প্রভিন্সিয়াল আর্মড কনস্ট্যাবুলারির (পিএসি) যে ঘরে রাখা হয়, সোমবার সকালে সেটি ঝাড়পোছ (sweeping) করেন, ঝাঁট দেন তিনিই। তারপর অনশনে বসেন। তাঁর টিমের এক সদস্যকে উদ্ধৃত করে  সংবাদ মাধ্যম বলেছে, নোংরা ঘরে রাখা হয়েছিল তাঁকে। নিজেই সেটি পরিষ্কার করেন তিনি।

 

রাজনৈতিক মহলে জল্পনা, উত্তরপ্রদেশে বিজেপিকে সাফ করে দিতেই কি প্রিয়ঙ্কার এহেন ‘প্রতীকী সাফাই’, শেষ পর্যন্ত তা কি সাফল্যের মুখ দেখবে?

গতকাল রাতে প্রিয়ঙ্কাকে লখিমপুর যেতে না দেওয়া নিয়ে একপ্রস্থ নাটক হয়। লখিমপুরের খবর শুনেই দিল্লি রেখে রাত সাড়ে আটটার বিমান ধরে দশটায় লখনউ নামেন তিনি। সঙ্গে কংগ্রেসের রাজ্যসভা সাংসদ দীপিন্দর হুডা। প্রথমে ঠিক ছিল, রাতটা লখনউ কাটিয়ে সোমবার সকালে লখিমপুর যাবেন তাঁরা।  কিন্তু প্রশাসন সেখানে ১৪৪ ধারা জারি করে রাজনৈতিক নেতা, নেত্রীদের ঢুকতে না দেওয়ার প্ল্যান করেছে, জানামাত্র প্রিয়ঙ্কারা সিদ্ধান্ত বদলে রাতেই বেরিয়ে পড়েন। মাঝরাস্তায় প্রিয়ঙ্কার কনভয় থামাতে যায় পুলিশ। এ নিয়ে উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় হয় দুতরফের। শেষ পর্যন্ত সীতাপুরে তাঁদের থামিয়ে আটক করে পুলিশ। প্রিয়ঙ্কা তাঁকে আটকানোর  পরোয়ানা দেখতে চান। মৃতদের পরিবারবর্গকে দেখতে যাওয়া কি অপরাধ, প্রশ্ন করেন তিনি। রাহুল গাঁধী তাঁর সমর্থনে ট্যুইট করেন, প্রিয়ঙ্কা পিছু হটবে না। ওকে ভয় পাচ্ছে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ।

পশ্চিম উত্তরপ্রদেশে ইতিমধ্যেই প্রিয়ঙ্কার বড় মুখের ছবি সহ পোস্টার মেরেছে কংগ্রেস। সঙ্গে স্লোগান, ‘’কংগ্রেসই রাজ্যে একমাত্র বিকল্প’’। পরিষ্কার বার্তা দেওয়া হচ্ছে, প্রিয়ঙ্কাকে মুখ হিসাবে প্রজেক্ট করেই তারা রাজ্যে বিজেপির প্রধান বিকল্প হয়ে উঠতে চায়, যদিও বাস্তবে তাদের ভিত্তি দুর্বল। দলের কর্মী-সমর্থকদের দাবি, নেতৃত্ব সরকারি ভাবে প্রিয়ঙ্কাকে মুখ্যমন্ত্রী মুখ  ঘোষণা করুক। যদিও এখনই তা হওয়ার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে না।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.