কোভিড অতিমারীর মধ্যে মাত্র ১৭ মিনিটে বিয়ে হিন্দু দম্পতির! পাত্রকে অভিনব ‘পণ’, রামায়ণ

0

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কোভিড অতিমারী আবহে ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত তৈরি হল উত্তরপ্রদেশে, যার ভাবমূর্তিতে কালি লেপে দিয়েছে ধর্ষণ সহ নারী নিগ্রহ, দুর্নীতি। উত্তরপ্রদেশের শাহজাহানপুরে একটি চমকপ্রদ বিবাহ আসর দেশবাসীর মধ্যে সাড়া ফেলে দিয়েছে। হিন্দু মৌলবাদের আঁতুড়ঘর বলে পরিচিত রাজ্যে মাত্র ১৭ মিনিটেই বিয়ে সারল এক হিন্দু দম্পতি। বাহুল্য ছাড়া কিছুই বাদ পড়ল না তাতে। শ্বশুরের অনুরোধে চমকপ্রদ একটি পণও আদায় করলেন বরপক্ষ। শোনা যাক সেই বিবাহ বৃত্তান্ত।

রাজ্যে রাজ্যে ভয়াবহ করোনা পরিস্থিতিতে এমনিতেই জমায়েত নিষিদ্ধ। অনেকেই সংক্রমণের ভয়ে বিয়ে পিছিয়ে দিচ্ছেন, যদিও বা করছেন,তাও খুব সতর্কতা মেনে। গুটিকয়েক নিমন্ত্রিত অতিথি নিয়ে। তবে হিন্দু বিয়ের অনুষ্ঠানে রীতি-আচার তো  কম নয়! ঘন্টার পর ঘন্টা ধরে বিয়ে চলে। অতিমারি পরিস্থিতিতে নমো নমো করে বিয়ে সারতেও ঘন্টাখানেক লেগেই যাচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে উত্তরপ্রদেশে মাত্র ১৭ মিনিটে বিয়ে সেরে চমকে দিলেন এই দম্পতি। পাত্রের নাম পুষ্পেন্দু দুবে। আর পাত্রী প্রীতি তেওয়ারি।

দুজনের  শুভ পরিণয় হল, অথচ বাজল না ব্যান্ড পার্টি। ঘটা করে সাজানো গাড়ি থেকেও নামলেন না বর। এলেন পায়ে হেঁটে। বিনা আড়ম্বরেই ধুমধাম যাকে বলে। বিয়ের পণ হিসেবে পুষ্পেন্দু উপহার নিলেন একখন্ড রামায়ণ, তাও
জোর করে ধরিয়ে দিলেন শ্বশুর। এখনও দেশের কোণায় কোণায় পণ প্রথার শিকড় সমাাজের  গভীরে বহাল। সেখানে এমন উপহার নেওয়ার কথা কজনই বা ভাবতে পারেন!

এদিন সদ্য বিবাহিত দম্পতি জানান, একেই অতিমারি পরিস্থিতি। এর মধ্যে বিয়েটুকু করাই লক্ষ। অতিরিক্ত ঘটায় অহেতুক খরচ বাড়ে। পণ নেওয়ারও কোনও যৌক্তিকতা দেখেন না তাঁরা। নতুন প্রজন্ম যদি এভাবেই গাঁটছড়া বাঁধতে এগিয়ে আসেন তবে সম্পদের অকারণ অপচয় বন্ধ হবে।

You might also like
Leave A Reply

Your email address will not be published.