করোনা নিয়ে অমিতাভের অবৈজ্ঞানিক টুইট, বিক্ষোভে পোস্ট মুছলেন বিগ বি

এর আগে মোদীর জনতা কার্ফু নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন দক্ষিণের তারকা রজনীকান্ত। সেখানে তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের জীবাণু ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বাঁচতে পারে। তাই রবিবার ১৪ ঘণ্টা বাড়িতে থাকার পরামর্শ মোদী দিয়েছেন এই ভাইরাসের সংক্রমণের চেন-কে ভাঙার জন্য। এই পোস্টের পরে টুইটারের তরফে তা মুছে দেওয়া হয়।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: করোনাভাইরাসের মধ্যে রবিবার জনতা কার্ফুর ডাক দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিকেল ৫টায় হাততালি দিয়ে, থালা-ঘণ্টা বাজিয়ে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত কর্মীদের ধন্যবাদ দেওয়ারও পরামর্শ দেন মোদী। কিন্তু এই হাততালির কারণ নিয়ে টুইটার ও ইনস্টাগ্রামে একটি যুক্তি দেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন, যা একেবারেই অবৈজ্ঞানিক। এই পোস্টের পর শুরু হয় সমালোচনা। অবশেষে সমালোচনার মুখে পড়ে নিজের পোস্ট মুছতে বাধ্য হলেন বিগ বি।

নিজের পোস্টে অমিতাভ লেখেন, “একটা মতামত দেওয়া হল। ২২ মার্চ বিকেল ৫টায় অমাবস্যা। মাসের সবথেকে অন্ধকার দিন। এই সময়েই ভাইরাস, ব্যাক্টেরিয়া ও অশুভ শক্তির ক্ষমতা সবথেকে বেশি বাড়ে। হাততালি দেওয়া কিংবা শঙ্খের আওয়াজের কম্পনে এই ব্যাক্টেরিয়া ধ্বংস হয়। এই সময় চাঁদ নতুন নক্ষত্র রেবতীতে যায়। একসঙ্গে কম্পনে অংশ নিলে রক্ত চলাচলও ভাল হয়।” এর পরে অবশ্য বিগ বি লিখে দেন, তাঁকে কেউ এই লেখা পাঠিয়েছিল। তিনি সেটাই শেয়ার করেছেন।

nrv9pi2o

অমিতাভের এই পোস্টের পরেই শুরু হয় সমালোচনা। টুইটার কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, এই ধরনের অবৈজ্জানিক কথা ছড়ানো উচিত নয়। সবাই এই কথা বলার জন্য অমিতাভের দায়িত্বজ্ঞানহীনতাকেই তুলে ধরেন। তাঁদের বক্তব্য, অমিতাভ ভারতের সবথেকে বড় তারকা। তাই কোনও কিছু বলার আগে তাঁর ভাবা উচিত। এরকম অবৈজ্ঞানিক কথা না ছড়িয়ে তাঁর উচিত ছিল এই পরিস্থিতিতে কী করা উচিত সেই বিষয়ে সবাইকে জানানো।

এই সমালোচনার চাপে শেষ পর্যন্ত নিজের পোস্টটি মুখে ফেলেন অমিতাভ। এর আগে মোদীর জনতা কার্ফু নিয়ে একটি টুইট করেছিলেন দক্ষিণের তারকা রজনীকান্ত। সেখানে তিনি এক ভিডিও বার্তায় বলেছিলেন, করোনাভাইরাসের জীবাণু ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা বাঁচতে পারে। তাই রবিবার ১৪ ঘণ্টা বাড়িতে থাকার পরামর্শ মোদী দিয়েছেন এই ভাইরাসের সংক্রমণের চেন-কে ভাঙার জন্য। এই পোস্টের পরে টুইটারের তরফে তা মুছে দেওয়া হয়। তবে এক্ষেত্রে বিগ বি নিজেই পোস্ট মুছে ফেললেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More