তানজানিয়ার ন্যাশনাল পার্ক, দিনের শেষে কেউ পেট ভরিয়ে ঘুমায়, কেউ পড়ে থাকে হাড় হয়ে

পূর্ব আফ্রিকার অন্যতম সুন্দর দেশ হল তানজানিয়া। এই দেশেই আছে আফ্রিকার উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (১৯৩৪১ ফুট) এবং সমুদ্রতলের চেয়ে নীচে থাকা লেক 'টাঙ্গানাইকা'।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পূর্ব আফ্রিকার অন্যতম সুন্দর দেশ হল তানজানিয়া। এই দেশেই আছে আফ্রিকার উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (১৯৩৪১ ফুট) এবং সমুদ্রতলের চেয়ে নীচে থাকা লেক ‘টাঙ্গানাইকা’। তানজানিয়া উচ্চভূমিগুলিতে শীত গ্রীষ্মে তাপমাত্রা ১০-২০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেডের মধ্যে ঘোরা ফেরা করে। বাকি দেশের গড় তাপমাত্রা থাকে ২০-৩১ ডিগ্রির মধ্যে।

৯৪৭৩০৩ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের তানজানিয়ায় আছে ১৬ টি জাতীয় উদ্যান। এদের মধ্যে বিখ্যাত জাতীয় উদ্যানগুলির নাম হল, সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্ক, গোরাংগোরো কনজারভেশন ক্রেটার ন্যাশনাল পার্ক, লেক মানাইয়ারা ন্যাশনাল পার্ক, মাহালে মাউন্টেন ন্যাশনাল পার্ক, তারাংগিরে ন্যাশনাল পার্ক, রুয়াহা ন্যাশনাল পার্ক, মিকুমি ন্যাশন্যাল পার্ক ইত্যাদি।  প্রত্যেকটি ন্যাশনাল পার্কে পর্যটকেরা খুব কাছ থেকে দেখতে পান সেই সমস্ত জীবজন্তুদের, যাদের তাঁরা চিড়িয়াখানায়  বন্দি দেখে অভ্যস্ত। ‘দ্য ওয়ালে” আমরা আজ দেখব তানজানিয়ার বিভিন্ন ন্যাশনাল পার্কের কিছু অসামান্য দৃশ্য।

দেশটির মনোরম জলবায়ু্ ও অসামান্য প্রাকৃতিক সৌন্দর্য্যের কারণে সারা বিশ্বের পর্যটকেরা ভিড় করেন তানজানিয়ায়। দেশটির জাতীয় আয়ের অনেকটাই আসে পর্যটন থেকে। বিভিন্ন দেশ থেকে পর্যটক উড়ে আসেন
কেউ যান আফ্রিকার উচ্চতম শৃঙ্গ মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো (১৯৩৪১ ফুট) দেখতে বা আরোহণ করতে।
কেউ দেখতে যান সমুদ্রতলের চেয়ে নীচে থাকা লেক টাঙ্গানাইকার নয়নাভিরাম নীল জলরাশি।
মাউন্ট কিলিমাঞ্জারো ও লেক ‘টাঙ্গানাইকা’ দেখতে পর্যটকেরা ভিড় করলেও, পর্যটকদের পছন্দের তালিকায় সবার ওপরে থাকে তানজানিয়ার ন্যাশনাল পার্কগুলি।
সেরেঙ্গেটি ন্যাশনাল পার্কে দেখা মিলতে পারে এরকমই অদ্ভুত কিছু দৃশ্যের। শিকার যেখানে তেড়ে যাচ্ছে শিকারীর দিকে।
রুয়াহা ন্যাশনাল পার্কের জিরাফের দল যেন পর্যটকদের ফোটো তোলার অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকে উঁচু গাছের তলায়। আসলে ওরা নজর রাখছে সিংহ চিতাদের গতিবিধি।
মিকুমি ন্যাশনাল পার্কে পর্যটকদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে আসে চিতারা। মানুষকে আক্রমণ করেনা ওরা।
ন্যাশনাল পার্কগুলি সেক্রেটারি বার্ডদের কাছে যেন অফিস। এভাবেই তারা সকাল সকাল হেলতে দুলতে বার হয়, অফিসে উপস্থিত কর্মীদের হাজিরা নেওয়ার জন্য।
লড়াই করে খাবার জোটাতে হয় প্রতিদিন। দিনের শেষে কেউ পেট ভরিয়ে ঘুমায়। কেউ পড়ে থাকে হাড় হয়ে।
বেলুনে চড়ে আকাশে ভাসেন পর্যটকরা। প্রত্যক্ষ করেন অবিস্মরণীয়  সূর্যাস্ত।
তৃপ্ত হয়ে নৈশাবাসে ফিরে চলেন পর্যটকের দল।
রাতের আতঙ্ক হয়ে জেগে ওঠে কেউ কেউ।

চিত্র কৃতজ্ঞতা: Tanzania National Parks (@tzparks)

Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More