বাংলাদেশে উমফানের বলি ১, ২০ লক্ষ লোককে সরানো হয়েছে নিরাপদ আশ্রয়ে

গত কয়েক দিন ধরেই উমফানের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে থাকাকালীন প্রচুর শক্তি সঞ্চয় করেছে এই ঘূর্ণিঝড়। তারপর তা এগিয়ে এসেছে স্থলভাগের দিকে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ফণী বা বুলবুলের থেকে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়তে চলেছে উমফান।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পশ্চিমবঙ্গে ল্যান্ডফল শুরু হয়েছে সুপার সাইক্লোন উমফানের। এরপর আরও উত্তর-পূর্বে সরে গিয়ে বাংলাদেশে যাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে এই ঘূর্ণিঝড়ের। কিন্তু ল্যান্ডফলের আগেই বাংলাদেশে মৃত্যু হল একজনের। বাংলাদেশ রেড ক্রেসেন্ট সংস্থার এক ভলান্টিয়ারের মৃত্যু হয়েছে নৌকাডুবি হয়ে।

বাংলাদেশ রেড ক্রেসেন্ট-এর সাইক্লোন মোকাবিলা দফতরের ডিরেক্টর নুরুল ইসলাম খান জানিয়েছেন, “বুধবার সকালে নিচু উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের উদ্ধার করে শেল্টারে নিয়ে যাওয়ার কাজ চলছিল। সেই সময়ই চারজনের একটি নৌকা ডুবে যায়। তিনজন সাঁতরে পাড়ে উঠলেও একজনের মৃত্যু হয়েছে।”

গত কয়েক দিন ধরেই উমফানের সতর্কতা জারি করেছে মৌসম ভবন। দীর্ঘদিন ধরে বঙ্গোপসাগরে থাকাকালীন প্রচুর শক্তি সঞ্চয় করেছে এই ঘূর্ণিঝড়। তারপর তা এগিয়ে এসেছে স্থলভাগের দিকে। মৌসম ভবন জানিয়েছে, ফণী বা বুলবুলের থেকে অনেক বেশি শক্তি নিয়ে আছড়ে পড়তে চলেছে উমফান।

আরও পড়ুন ল্যান্ডফল শুরু করেছে সুপার সাইক্লোন উমফান, আর মাত্র ৩৫ কিমি দূরে সাগরদ্বীপ থেকে

এই সতর্কতার জেরে ইতিমধ্যেই ভারতের পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা এবং বাংলাদেশের উপকূলবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের নিরাপদে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গ ও ওড়িশা উপকূল থেকে ৫ লক্ষ করে ও বাংলাদেশের উপকূল অঞ্চল থেকে ২০ লক্ষ লোককে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের উপকূল এলাকাতে প্রায় ৩ কোটি মানুষের বাস। তাই এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। জানা গিয়েছে, উমফানের দাপটে ১৫ ফুটের বেশি জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তাই উপকূল এলাকায় গার্ডওয়াল বানানোর কাজ চলছে।

মৌসম ভবনের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার সন্ধেবেলা বাংলাদেশে ল্যান্ডফল হওয়ার কথা উমফানের। এর আগে আয়লা, ফণী, বুলবুলের ক্ষত এখনও তাজা এই দেশে। তাই আগে থেকেই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে প্রশাসন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More