দিদির নির্দেশ, আদিবাসী বাড়ির দাওয়ায় বসে নৈশভোজ সারলেন বেচারাম মান্না

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কদিন আগেই নির্দেশ দিয়েছেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বার অক্ষরে অক্ষরে তা পালন করতে ময়দানে নামলেন হরিপালের তৃণমূল বিধায়ক বেচারাম মান্না। গজা গ্রামে আদিবাসী পাড়ায় চৈতন হাঁসদার বাড়িতে নৈশ ভোজ করেছেন তিনি। তারপরেই সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেছেন ছবিও। তবে দিদির নির্দেশ পাওয়ার পর বেচারাম মান্নাই প্রথম ময়দানে নেমেছেন কি না সেটা নিশ্চিত নয়। কিন্তু নৈশভোজের ছবি শেয়ারের ব্যাপারে সিঙ্গুর আন্দোলনের দাপুটে নেতাই তৃণমূলে প্রথম।  

গত ২৯ জুলাই, সোমবার নজরুল মঞ্চে দলের জেলা সভাপতি ও বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিক বৈঠক করেন তৃণমূলনেত্রী। সেখানেই তিনি জানান, এ বার থেকে জনসংযোগে দলের জনপ্রতিনিধিরা গ্রামে গ্রামে যাবেন। কথা বলবেন দলের কর্মী এবং সাধারণ মানুষের সঙ্গে। শুধু সেটা করেই চলে এলে হবে না। কোনও এক বুথকর্মীর বাড়িতে বসে সবাইকে নিয়ে একসঙ্গে খাওয়াদাওয়া করবেন। রাতে থাকতে হবে সেখানেই। তারপর গ্রাম বা পাড়া ছাড়ার আগে, সেখানে তৃণমূল কংগ্রেসের পতাকা উত্তোলন করে তারপর আসবেন।

বেচারাম মান্না আদতে সিঙ্গুরের বাসিন্দা। এখানকার বিধানসভায় ব্যাপক ভোটে পিছিয়ে রয়েছে তৃণমূল। অন্যদিকে তিনি হরিপালের বিধায়ক। যেটা আরামবাগ লোকসভার মধ্যে পড়ে। সেখানে আবার তৃণমূল ব্যাপক হারে এগিয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, আরামবাগ লোকসভা তৃণমূলের জেতার পিছনে এই হরিপালের লিডই অন্যতম কারণ। এ দিকে প্রথম মমতা সরকারের মন্ত্রী ছিলেন বেচারাম মান্না। তবে পরের বার আর তাঁকে ক্যাবিনেটে রাখেননি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফলে কোণঠাসা বেচারাম মান্নার নিজেরই তাগিদ ছিল এটা প্রমাণ করার যে তিনি ‘দিদিরই লোক’। তাই দলনেত্রীর নির্দেশ পাওয়ার পরেই জনসংযোগ বাড়াতে কোমর বেঁধে কাজে লেগে পড়েছেন হরিপালের বিধায়ক।

আরও পড়ুন-

পাত পেড়ে খেয়েছিলেন অমিত, দিদি বললেন শুধু খেলে হবে না, ঘুমোতেও হবে

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More