#Breaking: পুলওয়ামা কাণ্ডে আরও জওয়ানের মৃত্যু, নিহতের সংখ্যা বেড়ে ৪৯

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সতর্কতা ছিল। তা সত্ত্বেও উপত্যকায় রোখা যায়নি ফিদায়ঁ হামলা। বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ সিআরপিএফ-এর কনভয়ে হামলা চালায় জইশ জঙ্গি আদিল আহমেদ দার ওরফে ওয়াকাস। প্রাথমিক ভাবে জানা যায় আত্মঘাতী জঙ্গি হানায় নিহত হয়েছেন ৪০জন জওয়ান।

তবে জানা গিয়েছে আরও জওয়ানের মৃত্যু হয়েছে এই বিস্ফোরণে। নিহতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪৯। গুরুতর জখম হয়েছেন আরও অনেকে। বাদামিবাগের আর্মির ৯২ বেস হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে আহত জওয়ানরা।

পুলওয়ামার ভয়াবহ বিস্ফোরণে জড়িত সন্দেহে ইতিমধ্যেই ৭ জনকে আটক করেছে জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশ। তাদের জেরা করতে শুক্রবারই শ্রীনগর পৌঁছেছে ১২ প্রতিনিধির এনআইএ-র বিশেষ দল। অ্যান্টি টেরর কম্যান্ডো এবং এনএসজি’র বিশেষ দলও ইতিমধ্যেই পৌঁছে গিয়েছে শ্রীনগরে। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের সঙ্গে ঘটনার তদন্তে নেমেছে এনআরএ-র ফরেনসিক দলও।

হামলার দিন প্রায় ৩৫০ কেজি বিস্ফোরক বোঝাই স্করপিও গাড়ি নিয়ে সিআরপিএফ-এর ট্রাকে ধাক্কা মারে আত্মঘাতী জইশ জঙ্গি আদিল দার। ফরেনসিক বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছে, ওই বিস্ফোরকের পুরোটাই ছিল হেভি এক্সপ্লোসিভ আরডিএক্স-এ ঠাসা। আর সেই জন্যেই বিস্ফোরণের তীব্রতা ছিল মারাত্মক। প্রায় ৮০ মিটার দূরে ছিটকে গিয়ে পড়েছিল নহিত জওয়ানদের দেহ। সেনার ট্রাকে ধাক্কা মারার পর জওয়ানদের ঘিরে ধরে গুলিবৃষ্টি শুরু করে জইশ জঙ্গিরা। এ দিনের ভয়ানক বিস্ফোরণে দু’টুকরো হয়ে যায় সিআরপিএফ-এর ট্রাকটি। ঘটনাস্থলে ১০০ মিটার জুড়ে কেবলই নজরে এসেছে জওয়ানদের ছিন্ন-ভিন্ন দেহ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More