উপত্যকায় ‘নভেম্বর বিপ্লব’, খতম ৩৭ জঙ্গি, চলতি বছরে এখনও ২২৭

দ্য ওয়াল ব্যুরো: জম্মু ও কাশ্মীরে জঙ্গি নিধনে নজিরবিহীন সাফল্য নিরাপত্তাবাহিনীর।

এই নভেম্বরেই ৩৭ জন জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা। এরমধ্যে ২৮ জনই দক্ষিণ কাশ্মীরের। ৯দিনে ৬টি সংঘর্ষে মৃত্যু হয়েছে ২৬ জনের। সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, চলতি বছরে এখনও (২৯ নভেম্বর পর্যন্ত) ২২৭জন জঙ্গিকে খতম করেছে ভারতীয় সেনা। গতবার যা ছিল ২০৭।

সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ থেকে উত্তাপ বাড়তে থাকে উপত্যকায়। বিএসএফএর হেড কনস্টেবল নরেন্দ্র সিং-কে নৃশংস ভাবে হত্যা করে পাক রেঞ্জার্সরা। ভারত-পাক সম্পর্কে ফের শুরু হয় চাপান উতোর। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে। রাষ্ট্রপুঞ্জের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে দুই দেশের বিদেশমন্ত্রীর বৈঠকের প্রস্তাব দিয়েছিলেন ক্রিকেটার প্রধানমন্ত্রী। সুষমা স্বরাজের দফতর প্রথমে সম্মতি দিলেও নরেন্দ্র সিং-এর মৃত্যুর পর তা বাতিল করে দেয়। তারপর থেকেই দেশের গৃহমন্ত্রী রাজনাথ সিং বলতে থাকেন, “তৈরি থাকুন, পাকিস্তানের জন্য বড় কিছু অপেক্ষা করছে।” এরপর থেকেই উপত্যকায় আরও বাহিনী বাড়িয়ে দেয় কেন্দ্র।

অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে উপত্যকার পুলিশের ঘুম উড়ে গিয়েছিল। এক সিআরপিএফ-এর জওয়ান খুনে জঙ্গিরা ব্যবহার করেছিল স্নাইপার রাইফেল। মার্কিন প্রযুক্তিতে তৈরি ওই অস্ত্র জঙ্গিদের হাতে থাকায় কপালে ভাঁজ পড়েছিল সেনাবাহিনীর। সব কিছুকে উড়িয়েই জঙ্গি নিধনে এই সাফল্য বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী।

জম্মু ও কাশ্মীরের একাধিক জায়গায় স্থানীয় যুবকরা জঙ্গি খাতায় নাম লেখানোর পরিমাণও গত বছরের থেকে কমেছে বলে জানিয়েছেন সেনাবাহিনীর এক আধিকারিক। জইশ-ই-মহম্মদ প্রধান হাফিজ সঈদের ভাইপো-সহ বেশ কয়েকজন মোস্ট ওয়ান্টেডও।

সেনাবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, শুধু জঙ্গি নিধন নয়, জঙ্গি শিবিরে যোগ দেওয়া সাধারণ যুবকদেরও মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনারও চেষ্টা চালাচ্ছে নিরাপত্তাবাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More