উন্নাও মৃত্যু: ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টে তদন্ত হবে, অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা, বললেন যোগী আদিত্যনাথ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: উন্নাওয়ে ধর্ষিতা তরুণীর গায়ে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা নিয়ে এর আগে মুখ খোলেননি উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ।

আরও পড়ুন- উন্নাও: একের পর এক ধর্ষণের বিভীষিকা, গায়ে আগুন, মৃত্যু, বিচার চাইছে গোটা দেশ

কিন্তু গতকাল গভীর রাতে দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে তরুণীর মৃত্যুর পর, শনিবার সকালে তড়িঘড়ি সাংবাদিক বৈঠক ডাকেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “এর থেকে নৃশংস ঘটনা আর হতে পারে না। এ ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক। ফাস্ট ট্র্যাক আদালতে অভিযুক্তদের বিচার হবে।” যোগী এও বলেন, অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি দেওয়া হবে।

আদালতে যাওয়ার পথে উন্নাওয়ের ওই তরুণীকে ধান ক্ষেতে টেনে নিয়ে গিয়ে প্রথমে ধারালো অস্ত্র দিয়ে তাঁর গায়ে কোপ বসিয়েছিল দুষ্কৃতীরা। তার পর তাঁর গায়ে কেরোসিন তেল ঢেলে আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। তাঁর শরীরের ৯০ শতাংশ পুড়ে গিয়েছিল। অভিযুক্ত পাঁচ জনকেই অবশ্য এরই মধ্যে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

আরও পড়ুন- লড়াই থামল উন্নাওয়ের দগ্ধ ধর্ষিতার, শুক্রবার রাতে মৃত্যু হল দিল্লির সফদরজং হাসপাতালে

হায়দরাবাদে এক তরুণীকে ধর্ষণ করে পাশবিকভাবে পুড়িয়ে মারার পর উন্নাওয়ের ঘটনা ঘটে। তাতে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, গোটা দেশ জুড়ে তীব্র অসন্তুষ্ট ও ক্ষুব্ধ মানুষ। উত্তরপ্রদেশের পুলিশি ব্যবস্থা নিয়েও বড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছে এ ঘটনায়। আবার পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে পুরোদস্তুর রাজনীতিতে নেমে পড়েছেন দলিত নেত্রী মায়াবতী। তিনি গতকালই দাবি করেছেন, উন্নাওয়ের ঘটনায় অভিযুক্তদেরও পুলিশ এনকাউন্টার করে মারা হোক। উন্নাওয়ে ধর্ষিতা তরুণীর বাবাও একই দাবি জানিয়েছেন শনিবার সকালে।

স্বাভাবিক ভাবেই এসব মিলিয়ে প্রবল চাপ তৈরি হয়েছে যোগী সরকারের উপর। বস্তুত চাপ যে বাড়ছে তা গত পরশু থেকেই অনুধাবন করতে পারছিলেন যোগী। তাই বৃহস্পতিবার রাতেই এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে ধর্ষিতা ওই তরুণীর চিকিৎসার জন্য তাঁকে লখনউ থেকে দিল্লিতে সফদরজং হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। তবু তাঁকে বাঁচানো যায়নি।

এদিন সাংবাদিক বৈঠকে যোগী বলেন, উন্নাওয়ের মতো ঘটনা যাতে উত্তরপ্রদেশে আর না ঘটতে পারে সেজন্য পুলিশ ও প্রশাসন সবরকম চেষ্টা করবে। যা যা করা প্রয়োজন তাই করবে। জানা গিয়েছে, শনিবারই পুলিশ ও প্রশাসনের কর্তাদের বৈঠকে ডেকেছেন তিনি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More