অক্সফোর্ডের পরে ব্রাজিলে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল শুরু করতে চলেছে চিনের সিনোভ্যাক

ব্রাজিলের হেলথ রিসার্চ সেন্টার বুটানটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সাও পাওলোতে টিকার ট্রায়াল শুরু করেছে সিনোভ্যাক। বুটানটান ইনস্টিটিউটের প্রধান ডিমাস কোভাস জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। দেশের ছ’টি রাজ্যে টিকার ট্রায়াল শুরু হয়েছে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভ্যাকসিন দৌড়ে ব্রিটেনের অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকা, আমেরিকার মোডার্নার মতোই তিন স্তরে এগিয়ে রয়েছে চিনের ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সিনোভ্যাক। দেশের বাইরে এবার ব্রাজিলের টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু করতে চলেছে সিনোভ্যাক। প্রথম পর্যায়ে ৯০০ জনকে টিকা দেওয়া হবে বলে খবর।

ব্রাজিলের হেলথ রিসার্চ সেন্টার বুটানটানের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে সাও পাওলোতে টিকার ট্রায়াল শুরু করবে সিনোভ্যাক। বুটানটান ইনস্টিটিউটের প্রধান ডিমাস কোভাস জানিয়েছেন, প্রথম পর্যায়ে ডাক্তার, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের টিকা দেওয়া হবে। দেশের ছ’টি রাজ্যে টিকার ট্রায়াল হবে।

সিনোভ্যাকের কোভিড ভ্যাকসিনের নাম করোনাভ্যাক। এই ভ্যাকসিনের প্রথম দুই পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্ট ইতিবাচক বলেই দাবি করেছিল চিনের এই ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি। সাও পাওলোর স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, নির্দিষ্ট সময়ের ব্যবধানে দুটি ডোজে এই ভ্যাকসিনের ট্রায়াল করা হবে। অন্তত তিন মাস চলবে ট্রায়াল। তারপর মানুষের শরীরে এই ভ্যাকসিনের প্রভাব কী হল সেটা সামনে আনা হবে।

আরও পড়ুন: অক্সফোর্ড ভ্যাকসিনের ট্রায়াল হবে ভারত, শীঘ্রই এ দেশে উৎপাদন শুরু হবে জানাল সেরাম

করোনা সংক্রমণ ও মৃত্যুর নিরিখে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরেই বিশ্বে দু’নম্বর স্থানে রয়েছে ব্রাজিল। আক্রান্তের সংখ্যা ১৪ লাক ছাড়িয়েছে। মৃত্যু হয়েছে ৮০ হাজারের বেশি। করোনা সংক্রমণ সবচেয়ে বেশি ছড়িয়েছে সাও পাওলো, রিও ডি জেনিরোতে।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে ব্রাজিলে। লেমানন ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্রাজিলে করোনার হটস্পট সাও পাওলো ও রিও ডি জেনিরোতে মোট ৩০০০ জনকে দেওয়া হচ্ছে অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিন। তার মধ্যে ডাক্তার, স্বাস্থ্যকর্মী সহ সাও পাওলোতে ২০০০ জন ও রিও ডি জেনিরোতে হাজার জনকে বেছে নেওয়া হয়েছে।

চিনের আরও একটি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি সিনোফার্মের তৈরি ভ্যাকসিনেরও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হয়েছে। সিনোফার্মের বায়োটেক গ্রুপের তত্ত্বাবধানে এই ভ্যাকসিনের তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল চলছে আবু ধাবিতে।

চিনের বায়োটেকনোলজি ফার্ম কানসিনোবায়ো ভেক্টর ভ্যাকসিন তৈরি করছে। অ্যাডেনোভাইরাসকে ভেক্টর হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। এই গবেষণায় তাদের সঙ্গে রয়েছে দেশের অ্যাকাডেমি অব মিলিটারি মেডিকাল সায়েন্সেস। ল্যানসেট মেডিক্যাল জার্নালে প্রকাশিত রিপোর্টে গবেষকরা বলেছিলেন এই ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল সফল হয়েছে। দ্বিতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের প্রস্তুতি চলছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More