‘গাছ রাতে অক্সিজেন ছাড়ে’, ইমরানের কথায় হাসিতে ফেটে পড়েছে নেটদুনিয়া

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সালোকসংশ্লেষের থিওরিই বদলে দিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী। পরিবেশ রক্ষা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ইমরান যা বলেছেন তাই নিয়ে রীতিমতো হাস্য-কৌতুক শুরু হয়ে গেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের মিম বানিয়ে রঙ্গতামাশা শুরু করেছেন নেটিজেনরা।

দুঃস্থ ছাত্রছাত্রীদের জন্য নতুন স্কলারশিপ চালুর ব্যাপারে একটি ইভেন্টে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পরিবেশ রক্ষার বিষয়টি উঠে আসে। সেখানেই এমন কথা বলে হাসির খোরাক হয়ে যান পাক প্রধানমন্ত্রী। সেই অনুষ্ঠানের কয়েক মিনিটের ক্লিপিং নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন পাক সাংবাদিক নায়লা ইনায়ত। ভিডিও-র ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “গাছ রাতের বেলা অক্সিজেন দেয়: আইনস্টাইন খান।”

১৫ সেকেন্ডের ওই ক্লিপিংয়ে ইমরানকে বলতে শোনা গেছে, গত ১০ বছরে ৭০ শতাংশ বনভূমি ধ্বংস হয়েছে। পরিবেশ দূষিত হচ্ছে, এর ফল সকলকেই ভুগতে হবে। কারণ বাতাসকে শুদ্ধ করে গাছ। আর গাছ রাতের বেলা অক্সিজেন তৈরি করে। কার্বন ডাই অক্সাইডও শোষণ করে।

পাক প্রধানমন্ত্রীর এমন বক্তব্যের ভিডিও নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়তেই হাসিমস্করা শুরু হয়ে গেছে। নেটিজেনদের কেউ বলেছেন, একজন অক্সফোর্ডের স্নাতক এমন কথা বলছেন ভাবাই যায় না। কারও মন্তব্য, ইমরানকে ফের স্কুলে পাঠিয়ে দেওয়া হোক। কৌতুক করে আবার কেউ লিখেছেন, এই নতুন আবিষ্কারের জন্য ইমরানকে তো নোবেল দেওয়া উচিত!

ব্যঙ্গ এখানেই থামেনি। এক নেটিজেনের সরস মন্তব্য, “আহা ইমরান যখন বলেছেন গাছ রাতে অক্সিজেন দেয়, তাহলে সেটাই ঠিক। কারণ নয়া পাকিস্তানে মনে এমনটাই হচ্ছে।” কেউ কেউ আবার বলেছেন, “পাকিস্তানের গাছেরা রাতেই অক্সিজেন ছাড়ে। গাছের নীচে থেকে ইমরান এটা বেশ বুঝেছেন।”

সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আগেও একাধিকবার ট্রোলড হয়েছেন ইমরান। রাষ্ট্রপুঞ্জের মঞ্চে দাঁড়িয়ে ভারতকে তুলোধনা করতে গিয়ে কথার খেই হারিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ‘প্রেসিডেন্ট’ সম্বোধন করে সোশ্যাল মিডিয়ায় হাসির খোরাক হয়েছিলেন। সেখানেও নেটিজেনরা কৌতুক করে বলেছিলেন, “ভারতের প্রতি একটু বেশিই সম্মান দেখাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রেসিডেন্ট বানিয়ে দিয়েছেন ইমরান।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More