লোক নেই! তালা ঝুলল প্রিয়া, প্রাচী, মেনকার মতো হলে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার মনোরঞ্জনের সঙ্গে জড়িয়ে থাকা অনেকগুলি নাম এক লহমায় বন্ধ হয়ে গেল। সপ্তাহের শুক্রবার মানে নতুন ছবি মুক্তির দিন। কিন্তু কোভিড পরিস্থিতিতে সেসব নেই। বিধি মেনে সিনেমা হল খোলায় অনুমতি দিলেও ‘অপারগ’ হল মালিকরা। তালা ঝুলল প্রিয়া, প্রাচী, মেনকার মতো সিনেমা হলে। বন্ধ হয়েছে জয়া, অশোকা, ইন্দিরাও। বারাসতের ডাকবাংলো, দুর্গাপুরের বায়োস্কোপের মালিকও ‘আর চালাতে পারছি না’ বলে হল বন্ধ করে দিয়েছেন।

প্রিয়া সিনেমার মালিক অরিজিৎ দত্ত সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, এই পরিস্থিতির সঙ্গে আর যুঝে উঠতে পারছেন না তিনি। হাতে গুণে হয়তো দিনে চার থেকে পাঁচজন ছবি দেখতে আসছেন। তাঁর সাফ কথা, এ ভাবে এত বড় এস্টাব্লিশমেন্ট চালানো সম্ভব নয়।

সিনেমা বিশেষজ্ঞদের মতে, যে প্রযোজনা সংস্থার ওটিটি প্ল্যাটফর্ম রয়েছে তারা সেখানে ছবি রিলিজ করছে। কিন্তু যাদের নেই তারা হলে করতে শুরু করেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি যা তাতে লোকজন নেই। ফলে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে।

তবে অনেকেই আশাবাদী, ভ্যাকসিন বেরোলেই হলগুলি আবার আগের জায়গায় চলে আসবে। এখন নিয়ম হচ্ছে ৫০ শতাংশ দর্শক নিয়ে হল চালাতে হচ্ছে। তার উপর হিন্দি ছবির মুক্তি বন্ধ। তাই শুধু বাংলা ছবি দিয়ে এই মুহূর্তে হল চালানো মুশকিল বলেই মত অনেকের।

যদিও নবীনার মতো অনেক হল মালিকের কথায়, ব্যবসা মানেই লাভ-ক্ষতি থাকবে। কিন্তু তাই বলে বন্ধ করে দেওয়া ঠিক নয়। এত দিন যে ব্যবসা ঘরে লক্ষ্মী এনে দিয়েছে সেই ব্যবসায় সাময়িক ক্ষতি হচ্ছে বলে তালা ঝুলিয়ে দেওয়া কোনও কাজের কথা নয়।

গত ১৫ অক্টোবর থেকে সিনেমা হল খোলায় অনুমতি দিয়েছিল সরকার। পুজোর আগে বেশ সাড়াও পড়েছিল। কিন্তু বাস্তবে দেখা গিয়েছে, অনেকেই হলে যেতে সঙ্কোচ বোধ করছেন। জেলায় অনেক হল রয়েছে যেগুলি সেই যে মার্চ মাসের মাঝামাঝি বন্ধ হয়েছে তারপর আর খোলেনি। কিন্তু কলকাতা ও শহরতলির যে হলগুলি আনলক পর্বে খুলেছিল সেগুলিও বন্ধ হয়ে গেল। এবং যেগুলি বন্ধ হল সেগুলি বেশ বড় নামের হল।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More