রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭

ব্রেকফাস্টে ‘স্পার্ম স্মুদি’-ই নাকি সারাদিন তরতাজা থাকার রহস্য!

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ডায়েট করা হালফিলের সোশ্যাল ট্রেন্ড। এই হিড়িকে গা ভাসিয়েছেন প্রায় সকলেই। নিজেকে ফিট অ্যান্ড ফাইন রাখতে ডায়েট করছেন অনেকেই। তাতে নানা রকমের ফল, সব্জি থাকছে। তবে অনেকেই এড়িয়ে যাচ্ছেন অ্যানিম্যাল প্রোটিন, ফ্যাট বা কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার। অনেকেই ‘ভেগান ডায়েট’ ফলো করছেন। তাতে একেবারেই থাকছে না কোনও অ্যনিম্যাল প্রোটিন। পনীর, দুধও সেক্ষত্রে বাদ। তাহলে খাচ্ছেন কী? শরীরে তো বিভিন্ন উপাদানের ঘাটতিতে নানান সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাই ‘স্পার্ম স্মুদি’তেই ভরসা রাখছেন বছর ২৯-এর ট্র্যাসি কিস।

সিঙ্গল মাদার ট্র্যাসি। সারাদিন কাজের এনার্জি পাচ্ছেন না কিছুতেই। এদিকে ২৯ বছরেই ভেগান ডায়েটের পাল্লায় দেখতেও বুড়িয়ে যাচ্ছেন। শেষে পরামর্শ নেন ডাক্তারের। আর চিকিৎসক ট্র্যাসিকে জানান, যাঁরা ভেগান তাঁদের শরীরে ভিটামিন বি১২ এর অভাব থাকে। পুরুষের শুক্রাণু বা স্পার্ম এই বি১২-এর খুব ভালো উৎস। এরপরেই প্রিয় বন্ধুর স্মরণাপন্ন হন ট্র্যাসি। খুব স্বাভাবিকভাবেই তাঁর বন্ধু প্রথমে ঘাবড়ে যান। পরে বন্ধুর অনুরোধে সপ্তাহে তিনদিন করে নিজের স্পার্ম দেন ট্র্যাসিকে। কলা, আমন্ডের দুধের সঙ্গে সেই স্পার্ম মিশিয়ে স্মুদি তৈরি করে রোজ সকালে খান ট্র্যাসি এবং তরতাজা থাকেন সারাদিন।

ইংল্যাণ্ডের বাকিংহ্যামশায়ারের বাসিন্দা ট্র্যাসি বলছেন বন্ধু যেদিন যা খান, সেই অনুযায়ী স্পার্মের আলাদা আলাদা স্বাদ পান তিনি। অ্যালকোহল বা কষা স্বাদের কিছু আগের রাতে যদি বন্ধু খান, তাহলে স্মুদিতেও সেই কষাটে স্বাদই তিনি পান। আবার বন্ধু যদি আনারস বা পিপারমেন্ট খেয়ে স্পার্ম দেন, তখন সেটা ট্র্যাসির এতটাই ভালো খেতে লাগে যে, সে সেটা চামচে করে এমনি এমনিই খেয়ে নেন! যদিও তাঁর এই অদ্ভুত অভ্যাস নিয়ে অনেকেই নাক কুঁচকেছেন। তবে ট্র্যাসি কিন্তু বলছেন যে এর স্বাদ পায়নি তার পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়।

এই স্পার্ম যে শুধু ট্র্যাসি ব্রেকফাস্টে স্মুদি করে খান, তাই নয়, সঙ্গে মুখেও মেখে নেন কিছুটা। তিনি বলছেন এই স্পার্ম সরাসরি মুখে লাগানোর পর থেকে তিনি অনেক বেশি সুন্দর হয়েছেন। তাঁর ত্বক অনেক বেশি চকচকেও হয়েছে। প্রথমদিকে বন্ধু রাজি না হলেও, পরে যখন ট্র্যাসি এতগুলো লাভের কথা বলেন, তখন তাঁর বন্ধু রোজ নিজের স্পার্ম সাপ্লাই দিতে শুরু করেন। ট্র্যাসি বলেছেন, তাঁর বন্ধু সেই অর্থে কোনও নেশা করেন না। এমনকি তাঁর এসটিআই চেকআপ করিয়ে ট্র্যাসি দেখেও নিয়েছেন বন্ধুর কোনও গুপ্তরোগও নেই। কাজেই বাকিরা কী বলছেন, তা নিয়ে তাঁর বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই ট্র্যাসির। তিনি শুধু চান পরবর্তীকালে যে পার্টনারের সঙ্গে থাকবেন তিনিও যাতে ট্র্যসিকে জিজ্ঞেস করে নেন রোজ সকালে ট্র্যাসির কতটা স্পার্ম প্রয়োজন।

Shares

Comments are closed.