প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি মুখ্যমন্ত্রীর, নেতাজির জন্মদিনে জাতীয় ছুটি ও অন্তর্ধান রহস্যের তথ্য প্রকাশের দাবি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০২২ সালের ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসুর ১২৫তম জন্মতিথি। অর্থাৎ একুশ সাল থেকেই রাজ্য ও জাতীয় স্তরে বর্ষব্যাপী উদযাপন শুরু হয়ে যাবে। তার আগে এ ব্যাপারে আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে এদিন দুটি স্পষ্ট দাবি করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এক, ১২৫তম জন্মদিনের  প্রাক্কালে নেতাজির জন্মদিন জাতীয় ছুটি তথা ন্যাশনাল হলিডে হিসাবে ঘোষণা করা হোক।

দুই, নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে এখনও মানুষের অসীম কৌতূহল ও আগ্রহ রয়েছে। মানুষ জানতে চান এই মহান নেতার শেষমেশ কী হয়েছিল। এ ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার তথ্যানুসন্ধান করে যা পেয়েছে এবং সামগ্রিক ভাবে এ বিষয়ে কেন্দ্রের যা অবস্থান তা সবাইকে জানানো হোক।

চিঠিতে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, নেতাজি সংক্রান্ত কিছু গোপন ফাইল রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে সাধারণের জন্য ডিক্লাসিফাই করেছে। এ বার কেন্দ্রেরও উচিত এ বিষয়ে স্পষ্ট অবস্থান নেওয়া।

মুখ্যমন্ত্রী এমন সময়ে এই চিঠি লিখেছেন, যখন সরকারের প্রতিটি পদক্ষেপকে পর্যবেক্ষকদের একাংশ রাজনীতির আতসকাচের তলায় ফেলে দেখতে চাইছেন। কারণ, কয়েক মাসের মধ্যেই ভোট আসন্ন বাংলায়। আজ বুধবার খসড়া ভোটার তালিকাও প্রকাশ হয়ে গিয়েছে। পর্যবেক্ষকদের অনেকের মতে, বাঙালি আবেগকে উস্কে দেওয়ার জন্যই এ পথে হাঁটতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী।

তাঁদের কথায়, একে তো বিজেপিকে বহিরাগত বলে মন্তব্য করে বাঙালি আবেগ ছুঁতে চাইছে তৃণমূল। নেতাজির জন্মদিনে জাতীয় ছুটি ঘোষণা না হলে তাঁরা বলতে পারবেন, বাংলার আবেগ, বাঙালি তথা জাতির এক মহান নেতাকে যথাযোগ্য সম্মানও দিচ্ছে না মোদী সরকার।

প্রসঙ্গত, নেতাজির জন্মদিনকে জাতীয় ছুটি হিসাবে ঘোষণার দাবি নতুন নয়। নেতাজির অন্তর্ধান নিয়ে তথ্যপ্রকাশের দাবিও বহুদিনের। ফরওয়ার্ড ব্লক তা ধারাবাহিক ভাবে করেছে। কিন্তু অতীতে বাজপেয়ী জমানা হোক বা মনমোহন সিংহ সরকার—কেউই তাতে বিশেষ সাড়া দেয়নি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More