জাল রেমডেসিভির বিক্রির চেষ্টা, মধ্যপ্রদেশে ধরা পড়ল ওষুধ ব্যবসায়ী

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশ জুড়ে সংক্রমনের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে করোনা প্রতিষেধক রেমডেসিভিরের চাহিদা। ভ্যাকসিনের আকালের মধ্যেই গতকাল মধ্যপ্রদেশের ইনদওর শহরে নকল রেমডেসিভির বেচতে গিয়ে ধরা পড়ল এক ব্যাক্তি। জানা যায়, তার ১৬টি বাক্সের প্রত্যেকটিতে ২৫টি করে ইনজেকশনের ভায়াল ছিল। অভিযোগ ওঠে, দেখতে রেমডেসিভিরের মত হলেও ওষুধগুলো কর্তৃপক্ষ অনুমোদিত ছিল না। পুলিশ সূত্রে খবর, ওষুধ তৈরির ল্যাব থেকে কিছু স্যাম্পেল ইনজেকশন চুরি করে সেগুলোই রেমডেসিভির বলে বিক্রির চেষ্টা করছিল সে।

অভিযুক্তের নাম বিনয় ত্রিবেদী। জানা যায়, কর্মসূত্রে সে ওষুধ বিপণনের সঙ্গেই যুক্ত। শহরের বুকে সেদিন ৪০০ ইনজেকশনকে রেমেডিসিভির বলে চালানোর সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে যায় বিনয়। পুলিশি জেরার মুখে পড়ে দোষও স্বীকার করে নেয় সে। জানায়, হিমাচলের একটি কোম্পানি থেকে ইনজেকশনগুলো পেয়েছিল। যদিও উপযুক্ত প্রমাণ না থাকায় পুলিশ একথা বিশ্বাসযোগ্য মনে করেনি। বেআইনিভাবে ওষুধ বিক্রি এবং ওষুধের কালোবাজারির অভিযোগে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল মণীশ কাপুরিয়া জানান, ইনজেকশনগুলো আসলে কী তা ল্যাবে পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। রাজ্যে রাজ্যে রেমডেসিভির সঙ্কটের পেছনে যে এমন কত চক্রান্ত রয়েছে তা-ই এবার খতিয়ে দেখার চেষ্টা করবে প্রশাসন, এমনটাই আশ্বাস কাপুরিয়ার।

প্রসঙ্গত, করোনা ভাইরাসের ব্যাপক সংক্রমণের মধ্যেই সম্প্রতি ঘনিয়েছে আরও এক আশঙ্কার ছায়া। পর্যাপ্ত ভ্যাকসিন নেই, তাই টিকাকরণ সম্ভব হচ্ছে না নিয়মমাফিক। ইতিমধ্যেই দেশবাসীর চাহিদা মেটাতে করোনার ইনজেকশন রেমডেসিভিরের রফতানি বন্ধ করেছে সরকার। রেমেডিসিভির উৎপাদন বাড়ানোরও চেষ্টা চলছে। সেই পরিস্থিতিতে চোরা পথে রেমেডিসিভির বিক্রির এই ঘটনা চাঞ্চল্য সৃষ্টি করেছে এলাকায়।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More