পুঞ্চের মন্দিরে জঙ্গি হামলার ছক বানচাল, সন্ত্রাস দমনে ফের বড় সাফল্য ভারতীয় সেনার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পুঞ্চ জেলার মেন্ধর এলাকার একটি মন্দিরে গ্রেনেড হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছিল জঙ্গিরা। বিস্ফোরক জমা করা চলছিল। গোপনে নাশকতার ছক কষাও হচ্ছিল। সবটাই সুকৌশলে ভেস্তে দেয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। জঙ্গি সন্দেহে গ্রেফতার করা হয় দু’জনকে। সেনা ও পুলিশের বক্তব্য, ওই দু’জনের সঙ্গে পাক জঙ্গিদের যোগাযোগ রয়েছে। প্রচুর পরিমাণে বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে তাদের থেকে।

শনিবার পুঞ্চে জঙ্গিদের গোপন ডেরায় হামলা চালায় ভারতীয় বাহিনী। পুঞ্চের পুলিশ সুপার রমেশ কুমার বলেছেন, রাত ৮টা নাগাদ মেন্ধর এলাকা থেকে মুস্তাফা ইকবাল ও মুরতাজা ইকবাল নামে দু’জনকে পাকড়াও করা হয়। ওই দু’জন পুঞ্চের গুরসাই এলাকার মহম্মদ ইয়াসিনের ছেলে। এই পরিবার গোপনে পাক জঙ্গিদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিল বলে দাবি পুলিশের। মেন্ধরের স্পেশাল অপারেশন গ্রুপ তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে জেরা করে। তারাই নাশকতার গোপন ছক জানায় পুলিশকে।

পুলিশ সুপার রমেশ কুমার বলছেন, মেন্ধর এলাকার একটি মন্দিরে হামলা চালানোর ছক কষেছিল জঙ্গিরা। উপত্যকার জঙ্গিদের এই কাজে মদত দিচ্ছিল পাকিস্তানের কোনও জঙ্গি সংগঠন। মুস্তাফা ও মুরতাজার মোবাইল, ল্যাপটপ ঘেঁটে পাক জঙ্গিদের সঙ্গে যোগসাজশের কথা জানা গেছে। মনে করা হচ্ছে, পাকিস্তান থেকে অর্থ ও অস্ত্রের যোগান আসছিল এই দুই দুজনের কাছে।

জেরায় মুস্তাফা স্বীকারও করে, মন্দিরে গ্রেনেড হামলার জন্য প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিল তাকে। কীভাবে গ্রেনেড ছুড়তে হয় সে সংক্রান্ত ভিডিও পাওয়া গিয়েছে মুস্তাফার মোবাইলে।

জম্মু-কাশ্মীরের নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর মেন্ধর এলাকা। নিয়ন্ত্রণেরখা পার করে জঙ্গিদের কাছে অস্ত্র পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। এই কাজে তাদের সাহায্য করছে মুস্তাফার মতো স্থানীয় যুবকরা। দুই অভিযুক্তের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক ও আগ্নেয়াস্ত্রও উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানাচ্ছে, এদের সঙ্গেই আরও কয়েকজন জড়িত। নিয়ন্ত্রণরেখার কাছে দাবি গ্রামে আত্মগোপন করে রয়েছে জঙ্গিদের চরেরা। তাদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More