ভয়ঙ্কর! দিল্লি এয়ারপোর্টে স্ট্যাম্পের জন্য হাতে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া, কংগ্রেস নেতার নালিশ বিমান মন্ত্রীকে

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বিদেশ থেকে বিমানে যাঁরা দিল্লি এসে পৌঁছচ্ছেন, ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তাঁদের জন্য এখন ‘অন স্পট’ কোভিড টেস্ট তথা আরটি-পিসিআর টেস্ট করানোর সুযোগ রয়েছে। তার পর সেই রিপোর্ট নেগেটিভ এলে হাতে স্ট্যাম্প লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

কিন্তু রবিবার সকালে সর্বভারতীয় কংগ্রেসের সম্পাদক তথা মুখপাত্র মধু গৌড় যাক্ষী অভিযোগ করেছেন, তাঁর হাতে যে স্ট্যাম্প লাগানো হয়েছে তা থেকে রাসায়নিক প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। মধু হাতের ছবিও টুইটারে দিয়েছেন। তা দেখে মনে হচ্ছে যেন হাতের চামড়া পুড়ে গিয়েছে।

গতকাল শনিবার দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে মধু যাক্ষীর হাতে স্ট্যাম্প লাগানো হয়েছে। চব্বিশ ঘন্টার মধ্যেই ভয়ঙ্কর অবস্থা হয়েছে তাঁর হাতের। রবিবার সকালে সেই ছবি টুইট করে কেন্দ্রীয় বিমান মন্ত্রী হরদীপ পুরীকে বলেছেন, স্ট্যাম্পের জন্য যে রাসায়নিক ব্যবহার করা হচ্ছে তা কতটা নিরাপদ সরকার যেন পরীক্ষা করে দেখে।

কেন স্ট্যাম্প লাগাতে হচ্ছে?

আনলক পর্ব শুরু হতেই এখন আন্তর্জাতিক বিমান ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রথমে সরকার জানিয়েছিল, বিদেশ থেকে কোনও যাত্রী যদি ভারতে সফর করেন, তাহলে যাত্রার ৯৬ ঘন্টা আগে তাঁকে কোভিড টেস্ট করাতে হবে। সেই রিপোর্ট নেগেটিভ এলে তবেই ভারতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হবে। নইলে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে।

কিন্তু এখন স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডওর বদলেছে সরকার। বিমান মন্ত্রক জানিয়েছে, দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আরটি-পিসিআর টেস্টের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিদেশ থেকে কোনও যাত্রী ভারতে প্রবেশের পর বিমানবন্দরে কোভিড টেস্ট করাতে পারেন। সেই টেস্ট রিপোর্ট এলে তবেই তিনি পরবর্তী সফর বা যাত্রা করতে পারবেন।

দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে কোভিড টেস্ট লাউঞ্জ

বিমানবন্দরে কোভিড টেস্টের খরচ কত?

দিল্লি আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অন স্পট কোভিড টেস্টের জন্য ৫ হাজার টাকা নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের থেকে। তবে এই মূল্য দিলে বিমানবন্দরের লাউঞ্জে রেস্ট করা যাবে। এর জন্য প্রিমিয়াম প্লাজা লাউঞ্জ ও জেনেস্ট্রিকস ডায়াগোনস্টিক্স নিজেদের মধ্যে সমঝোতা করেছে। ৪ থেকে ৬ ঘন্টার মধ্যে টেস্ট রিপোর্ট পাওয়া যাবে।

মুম্বই বিমানবন্দরে অবশ্য টেস্টের খরচ কম। সেখানে আরটি-পিসিআর টেস্টের জন্য ১৬০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে যাত্রীদের থেকে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More