ফুরিয়ে আসছে বেড, বাড়ছে আক্রান্ত, দিল্লিতে এবার হোটেল-অনুষ্ঠান বাড়িতে বেড পেতে হাসপাতাল গড়ার প্রস্তুতি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: গতকাল, শনিবারই জানা গিয়েছিল, মুম্বইয়ের হাসপাতালগুলিতে ভেন্টিলেটর সাপোর্টের বেড এবং আইসিইউ প্রায় সম্পূর্ণ ভর্তি হতে চলেছে। ছবিটা আলাদা নয় রাজধানী দিল্লিতেও। বেড বাড়াতে তাই হোটেল এবং অনুষ্ঠান বাড়িগুলিতে বেড পেতে হাসপাতালের পরিকাঠামো গড়ে তোলার সিদ্ধান্ত নিল অরবিন্দ কেজরিওয়াল সরকার।

জানা গিয়েছে, ৪০টি হোটেল এবং ৭৭টি অনুষ্ঠান বাড়িতে বেড পেতে হাসপাতালের পরিকাঠামো গড়ে তোলা হবে। সব মিলিয়ে আরও ১৫ হাজার ৮০০ বেডের বন্দোবস্ত করা হবে। দক্ষিণ দিল্লির দুটি নামী হোটেল– বসন্ত কন্টিনেন্টাল ও হায়াত রিজেন্সি কর্তৃপক্ষকেও বলা হয়েছে জায়গা দেওয়ার জন্য।

দিল্লি সরকারের অধীনে যে ৭৭টি অনুষ্ঠান বাড়ি রয়েছে সেখানে ১১ হাজার ২২৯ বেডের ব্যবস্থা করা হবে। সাড়ে চার হাজারের বেশি বেড পাতা হবে ৪০টি হোটেলে। কেজরিওয়াল সরকারের তরফে দিল্লির সমস্ত জেলা শাসকের কাছে জানতে হয়েছে, এই পরিকাঠামো গড়ে তোলা সম্ভব। একইসঙ্গে বলা হয়েছে, এক সপ্তাহের মধ্যে তা করার কথাও বলা হয়েছে।

তিন ও চারতারা হোটেলে রোগীদের রাখা হলে সপ্তাহে খরচ হবে ৬৩ হাজার টাকা। পাঁচতারা হোটেলের ক্ষেত্রে গুনতে হবে সপ্তাহে ৭০ হাজার টাকা। তাছাড়া অক্সিজেন সাপোর্ট লাগলে প্রতিদিন অতিরিক্ত দু’হাজার টাকা করে লাগবে।

শনিবারের রিপোর্ট, দিল্লিতে একদিনে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২১৩৪ জন। মোট আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩৮৯৫৮। এই মুহূর্তে কোভিড সক্রিয় রয়েছে ২২৭৪২ জনের শরীরে। মৃত্যু হয়েছে ১২৭১ জনের। গত সোম থেকে শনিবার পর্যন্ত দিল্লিতে কোভিড আক্রান্ত হয়েছেন, ৯৬৯৮ জন। আর হাতে রয়েছে ৪২৪৮টি বেড। এই পরিস্থিতিতে আরও বেড বাড়ানোর তোড়জোড় শুরু হয়েছে রাজধানীতে।

এর আগে কেজরিওয়াল বলেছিলেন, শুধুমাত্র দিল্লির বাসিন্দাদের জন্যই বেসরকারি হাসপাতাল ব্যবহার করা হবে। যদিও পরে লেফটেন্যান্ট গভর্নর অনিল বৈজলের নির্দেশে সেই অবস্থান বদল করেন কেজরিওয়াল। বলা হয় অনুষ্ঠান বাড়িগুলিতে বেড পেতে দ্রুত হাসপাতালের পরিকাঠামো গড়ে তুলতে হবে। এবার সেই পথেই হাঁটতে চলেছে দিল্লি।

একেকটি বেসরকারি হাসপাতালের অধীনে থাকবে তিনটি অথবা চারটি হোটেলের দায়িত্ব। তারা সেখানে চিকিৎসক এবং নার্স পাঠানোর বন্দোবস্ত করবে। যেমন ম্যাক্স হাসপাতাল চারটি হোটেলের দায়িত্ব নিচ্ছে। তারাই সেখানে চিকিৎসা পরিষেবা দেবে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More