দেশে একদিনে করোনা আক্রান্ত ৫৩ হাজার, সুস্থও হলেন ৪৭ হাজারের বেশি

দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২২ লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে। কেন্দ্রের হিসেবে, সংক্রামিতের মোট সংখ্যা ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৫। করোনা অ্যাকটিভ রোগী ৬ লাখের বেশি। তবে এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর তথা ‘আর’ নম্বর একের নিচে নেমে গেলে সংক্রমণ ছড়ানোর হারও কমবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দেশে কোভিড সংক্রমণ বৃদ্ধির হার কমছে। মঙ্গলবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে তার প্রমাণ মিলল। গতকাল, সোমবার একদিনে নতুন সংক্রমণ ধরা পড়েছিল ৬২ হাজার। আজকের হিসেবে দেখা গেল, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজার ৬০১।

দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ২২ লাখের গণ্ডি পেরিয়েছে। কেন্দ্রের হিসেবে, সংক্রামিতের মোট সংখ্যা ২২ লাখ ৬৮ হাজার ৬৭৫। করোনা অ্যাকটিভ রোগী ৬ লাখের বেশি। তবে এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর তথা ‘আর’ নম্বর একের নিচে নেমে গেলে সংক্রমণ ছড়ানোর হারও কমবে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

ভাইরাসের সংক্রমণে গত ২৪ ঘণ্টায় মৃত্যু হয়েছে ৮৭১ জন রোগীর। সংক্রমণে এখনও অবধি মৃত্যু হয়েছে ৪৫ হাজার করোনা রোগীর। সেদিক থেকে সুস্থ হয়ে ওঠাদের সংখ্যা আশা জাগিয়েছে। দেশে এখন করোনা জয়ীদের সংখ্যা ১৫ লাখ ৮৩ হাজার ৪৮৯ জন। সুস্থতার হার বেড়েছে ৬৯.৮০ শতাংশ।

ভাল খবর হল করোনায় মৃত্যুহার আরও কমেছে দেশে। আজকের হিসেবে কোভিড ডেথ রেট ১.৯৯%। জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকেই মৃত্যুহার কমতে শুরু করেছিল। গত সপ্তাহে কোভিড ডেথ রেট ছিল ২.৩৩%। সেখান থেকে মৃত্যুহার এক ধাক্কায় কমে দাঁড়ায় ২.১৩ শতাংশে। আজকের বুলেটিনের ইতিবাচক দিকই হল মৃত্যুহার কমে ২ শতাংশের নিচে নেমে এসেছে।

আরও একটা ইতিবাচক দিক হল এফেক্টিভ রিপ্রোডাকশন নম্বর কমেছে দেশে। ১.১৭ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১.১৬ পয়েন্টে। একজন করোনা রোগীর থেকে কতজনের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে সেটা মাপা হয় আর নম্বর দিয়ে। এই হিসেবের মাপকাঠিতেই নির্ণয় করা হয় সংক্রমণ কতটা ছড়িয়ে পড়ল এবং কতজনের মধ্যে ছড়াল। অর্থাৎ করোনা সংক্রমণের হার বা কোভিড ট্রান্সমিশন রেটের সঙ্গে এই আর নম্বরের সম্পর্ক রয়েছে। দিল্লিতে গত সপ্তাহে আর নম্বর ছিল ০.৬৬ থেকে ০.৬৮ পয়েন্টের মধ্যে। এখন একের নিচে নেমে গেছে। মুম্বই ও চেন্নাইতেও আর নম্বর ছিল যথাক্রমে ০.৮১ ও ০.৮৬। এই দুই শহরেও আর নম্বর একের নিচে।

ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং ও ট্রিটমেন্ট এই তিন ‘টি’ ফর্মুলায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা চলছে দেশজুড়েই। এখনও অবধি আড়াই কোটির কাছাকাছি কোভিড টেস্ট হয়েছে।  কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, অগস্ট থেকে প্রতিদিন প্রায় দশ লাখের কাছাকাছি কোভিড টেস্ট করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এখন সরকারি ও বেসরকারি মিলিয়ে ১৪০৬টি ল্যাবরেটরিতে কোভিড টেস্ট করা হচ্ছে, যার মধ্যে ৯৪১টি সরকারি ও ৪৬৫টি বেসরকারি ল্যাবরেটরি রয়েছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More