৫৩ হাজারে নামল দৈনিক সংক্রমণ, রাজধানীতে করোনা গ্রাফ ফের ঊর্ধ্বমুখী

দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৭৭ লাখ ছাড়িয়েছে। তবে আশার কথা হল, করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। আজকের হিসেবে কোভিড সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৮০ হাজারে নেমেছে।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আশা ছিলই। দৈনিক সংক্রমণ ফের ৫৫ হাজারের নিচে নামবে। তাই হল। শনিবার সকালে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের বুলেটিনে দেখা গেল, নতুন আক্রান্তের সংখ্যা ৫৩ হাজারে নেমে গেছে। দৈনিক সংক্রমণের হারও কম। করোনায় মৃতের সংখ্যাও গত কয়েকদিনের তুলনায় কমেছে।

দেশে এখন করোনা পজিটিভ রোগীর সংখ্যা ৭৭ লাখ ছাড়িয়েছে। তবে আশার কথা হল, করোনা অ্যাকটিভ রোগীর সংখ্যা ধীরে ধীরে কমছে। আজকের হিসেবে কোভিড সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ৬ লাখ ৮০ হাজারে নেমেছে। অ্যাকটিভ কেস ৮.৭১ শতাংশ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অ্যাকটিভ কেস ১০ শতাংশের নিচে নেমে যাওয়া ভাল লক্ষণ। করোনা অ্যাকটিভ রোগী কমলে সংক্রমণের হার তথা ট্রান্সমিশন রেট আরও কমবে। একজনের থেকে সংক্রমণ বহুজনের মধ্যে ছড়িয়ে পড়া বন্ধ হবে। ফলে করোনা কার্ভও কমতে থাকবে।

১১ লাখ করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে ঠিকই, তবে মৃত্যুহার ১.৫১ শতাংশ। কেন্দ্রের বুলেটিন বলছে, ৬৫০ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে একদিনে। যদিও স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দাবি, করোনায় মৃত্যুর অধিকাংশই কোমর্বিডিটির কারণে। প্রায় ৬০ শতাংশ করোনা রোগী হার্টের রোগ, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, ফুসফুসের রোগ বা ক্রনিক কিডনির রোগ, ক্যানসার ইত্যাদি জটিল রোগে আক্রান্ত। প্রবীণরা শুধু নয়, ৪০ থেকে ৬০ বছর বয়সীদের মধ্যে কোমর্বিডিটির কারণে মৃত রোগীর সংখ্যাই বেশি।

দিল্লিতে করোনা সংক্রমণ ফের বাড়ছে। দৈনিক সংক্রমণ চার হাজারের বেশি। গত ৩৪ দিনের মধ্যে সংক্রমণের হার রেকর্ড করেছে।

করোনায় সুস্থতার হার প্রায় ৯০ শতাংশ। ৭০ লাখ কোভিড রোগী সেরে উঠেছেন। একদিনে রোগ সারিয়েছেন ৬৭ হাজারের বেশি। ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব মেডিক্যাল রিসার্চ (আইসিএমআর) জানাচ্ছে, কোভিড টেস্ট, কনট্যাক্ট ট্রেসিং, কনটেইনমেন্ট ও ট্রিটমেন্টেই সংক্রমণে লাগাম পরানো গেছে। করোনা পরীক্ষা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে দেশে। এ যাবৎ ১০ কোটির বেশি কোভিড টেস্ট হয়েছে। একদিনে নমুনা পরীক্ষা হয়েছে ১২ লাখের বেশি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More