ভারতে করোনা বাড়ছে, টিকার ট্রায়ালের অনুমতি চেয়ে প্রস্তাব দিল জনসন অ্যান্ড জনসন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ভারতে দৈনিক সংক্রমণ তিন লাখের দোরগোড়ায় চলে এসেছে। সংক্রমণের হার বেড়েই চলেছে। এদিকে ভ্যাকসিনের ভাঁড়ারেও টান পড়েছে বলে অভিযোগ করেছে কয়েকটি রাজ্য। এমন পরিস্থিতিতে ভারতে টিকার ট্রায়ালের অনুমতি চেয়ে ড্রাগ কন্ট্রোলকে প্রস্তাব দিল জনসন অ্যান্ড জনসন।

কেন্দ্রীয় ড্রাগ নিয়ামক সংস্থার অধীনস্থ সাবজেক্ট এক্সপার্ট কমিটির সঙ্গে বৈঠকের আবেদন করেছে জনসন অ্যান্ড জনসন। তাদের টিকার সেফটি ট্রায়ালের রিপোর্ট জমা করে প্রাথমিকভাবে প্রস্তাব পেশ করা হয়েছে। মার্কিন ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানি জানিয়েছে, ভারতের অনুমতি পেলে টিকার তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু করা যেতে পারে। জনসনের টিকার একটি ডোজ দেওয়া হবে। সিঙ্গল শট ভ্যাকসিনে খুব দ্রুত টিকাকরণও করা যাবে বলে দাবি সংস্থার।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন একাধিক বিদেশি ভ্যাকসিনকে ছাড়পত্র দেওয়া হবে দেশে। এখন পুণের সেরাম ইনস্টিটিউটের তৈরি কোভিশিল্ড ও ভারত বায়োটেকের তৈরি কোভ্যাক্সিনই চালু রয়েছে। বিদেশি ভ্যাকসিনের মধ্যে রাশিয়ার টিকাতে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। তাছাড়া দেশের অনেক সংস্থাই এখন বিদেশি ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানিগুলির সঙ্গে হাত মিলিয়ে করোনার প্রতিষেধক তৈরি করছে, সেইসবও ট্রায়ালের পর্যায়ে রয়েছে। জনসন অ্যান্ড জনসনের তৈরি ভ্যাকসিনও অনুমতি পেলে দেশীয় কোনও সংস্থার সাহায্যে ভারতে তাদের উৎপাদন ও বিতরণ শুরু করতে পারে।

আমেরিকায় অন্যান্য টিকার সঙ্গে জনসন অ্যান্ড জনসনকেও ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছিল। লক্ষাধিক মানুষকে এই টিকার ডোজ দেওয়া হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তবে জনসনের টিকার ট্রায়াল নিয়ে কিছুদিন আগেই নতুন সমস্যার কথা শোনা গিয়েছিল। মার্কিন এফডিএ ও সিডিসি  জানিয়েছিল, ৬ জন মহিলার শরীরে টিকার ডোজে বিরল প্রকৃতির ‘ব্লাড ক্লটিং সিনড্রোম’ দেখা দিয়েছে। টিকার ডোজ দেওয়ার ১৩ দিন পর থেকে রোগের উপসর্গ দেখা গিয়েছিল শরীরে। যদিও জনসন অ্যান্ড জনসন দাবি করে, আমেরিকায় প্রতি বছরই বহু মানুষ থ্রম্বোসিস বা ব্লাড ক্লটের কারণে মারা যায়। তাই টিকার ডোজে রক্ত জমাট বেঁধেছে কিনা তার কোনও নিশ্চিত প্রমাণ নেই।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More