প্রেমিকার ঠাকুমা, ভাইকে ছুরি মেরে খুন, পরে আত্মঘাতী প্রেমিক

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ইন্সটাগ্রামে আলাপ। ধীরে ধীরে সেই আলাপ গড়িয়েছিল প্রেমে। কিন্তু তাদের প্রেমে সায় ছিল না তরুণীর পরিবারের। আর তাই প্রেমিকার ঠাকুমা ও ভাইকে ছুরি মেরে খুন করল প্রেমিক। তারপরে ট্রেনের সামনে আত্মঘাতী হয়েছে সে। প্রেমিকার পরিবারের প্রতি রাগের কারণেই ওই তরুণ এই কাণ্ড ঘটিয়েছে বলে মনে করছে পুলিশ।

ঘটনাটি ঘটেছে মহারাষ্ট্রের নাগপুরে। ২২ বছরের ওই তরুণের নাম মইন খান। নাগপুরের মোমিনপুরা এলাকায় তার বাড়ি। গত বছর নভেম্বর মাসে ইন্সটাগ্রামে তার পরিচয় হয় গুঞ্জন নামের এক তরুণীর সঙ্গে। ধীরে ধীরে সেই পরিচয় প্রেমে গড়ায়। যদিও তরুণী বাড়িতে মইনকে নিজের বন্ধু হিসেবে পরিচয় দেয়।

পুলিশ সূত্রে খবর, এই পরিচয়ের কিছুদিন পরে গুঞ্জনের বাড়ির লোক তাদের সম্পর্কের কথা জানতে পারে। তারপরে তারা গুঞ্জনকে বলে মইনের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে ফেলতে। শুধু তাই নয় গুঞ্জনের মোবাইল ফোনও কেড়ে নেওয়া হয়। তাকে এক আত্মীয়ের বাড়িতেও পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এই কারণেই হয়তো গুঞ্জনের পরিবারের প্রতি রাগ ছিল মইনের।

সংবাদসংস্থা পিটিআই সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বিকেলে নাগপুরের হাজারিপাহাড় এলাকায় গুঞ্জনের বাড়িতে যায় মইন। সেখানে গুঞ্জনের ৭০ বছর বয়সী ঠাকুমা প্রমীলা মারোতি ধুর্ভেকে ছুরি মারে সে। সেখানেই মৃত্যু হয় বৃদ্ধার। তারপরে গুঞ্জনের ১০ বছর বয়সী ভাই যশকেও ছুরি মেরে খুন করে মইন। তারপরেই বাড়ি থেকে পালিয়ে যায় সে। সঙ্গে সঙ্গে গুঞ্জনের ঠাকুমা ও ভাইকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে তাদের মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসক। খবর দেওয়া হয় পুলিশে।

পুলিশ সূত্রে খবর, সেই রাতেই মাঙ্কাপুর এলাকায় রেল লাইন থেকে উদ্ধার হয় মইনের দেহ। প্রাথমিকভাবে পুলিশের অনুমান, ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মঘাতী হয়েছে সে। যদিও নাগপুরের গিট্টিখন্ডন পুলিশ স্টেশনে আইপিসি-র ৩০২ নম্বর ধারায় একটি খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এই ঘটনার পিছনে আর কেউ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More