রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭

পরিবেশন করছেন, নিজে হাতে খাইয়েও দিচ্ছেন, বৃন্দাবনে শিশুদের সঙ্গে জমিয়ে আড্ডা মোদীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো : কখনও খাবার পরিবেশন করছেন। কখনও বা নিজে হাতে তাদের খাইয়ে দিচ্ছেন। গল্পও হচ্ছে দেদার। হাসি, মজা ও আড্ডার ছলে দুঃস্থ শিশুদের সঙ্গে সময় কাটালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

সোমবার বৃন্দাবনে যান মোদী। সেখানে বৃন্দাবন মন্দির ক্যাম্পাসে অক্ষয় পাত্র ফাউন্ডেশন আয়োজিত অনুষ্ঠানে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানেই ২০ জন দুঃস্থ শিশুকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করা হয়েছিল। নিজে হাতে তাদের খাবার পরিবেশন করেন মোদী। বাচ্চারা খেতে বসলে সেখানে গিয়ে তাদের সঙ্গে গল্পও করেন তিনি। কখনও তাদের নিজে হাতে খাইয়েও দেন।

খাবার পরিবেশনের ফাঁকে কচি-কাঁচাদের সঙ্গে গল্পে মেতে ওঠেন মোদী। নিজের টুইটার অ্যাকাউন্টে খাবার পরিবেশনের ভিডিও শেয়ার করেন তিনি। সেখানেই দেখা যাচ্ছে, এক পড়ুয়াকে তিনি বলছেন,  ”১২টায় খাবার পরিবেশন করার কথা ছিল। কিন্তু আমি দেরি করে এসেছি। তোমাদের খাবার পেতে দেরি হয়ে গিয়েছে। তাই না?” পাশ থেকে এক ছাত্রী বলে ওঠে, ”আমরা সকালে খাবার খেয়ে এসেছি।” উত্তর শুনে হেসে ফেলেন মোদী।

তারপর ফাউন্ডেশনের অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যও রাখেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী বলেন, প্রধানমন্ত্রী কিষাণ যোজনার সবথেকে বেশি লাভ হবে উত্তরপ্রদেশের চাষিদের। কারণ এখানকার বেশিরভাগ চাষির কাছেই এক, দুই বা পাঁচ একর জমি রয়েছে। ফলে সবার অ্যাকাউন্টে বছরে ছ’হাজার টাকা করে ঢুকবে। তিন কিস্তিতে এই টাকা ঢুকবে তাঁদের অ্যাকাউন্টে।

কেন্দ্রের অন্নদাতা যোজনার কথাও এ দিন তুলে আনেন প্রধানমন্ত্রী। মোদী বলেন, এই যোজনার মাধ্যমে ৩০০ কোটি খাবার উৎপাদন করা সম্ভব হয়েছে। এটা সত্যিই এক দারুণ প্রাপ্তি। এই অনুষ্ঠানে মোদী বলেন, “আমরা ধীরে ধীরে ম্যায় থেকে হাম-এর দিকে এগোচ্ছি। ম্যায় ( আমি ) থেকে কোনও উন্নতি হয় না। কিন্তু যখনই আমরা হাম ( আমরা ) হতে পারবো, তখনই দেশের উন্নতি সম্ভব। এভাবেই এক নতুন ভারত তৈরি হবে।”

শিশুদের সঙ্গে নিজের ভিডিও শেয়ার করে মোদী লেখেন, “শিশুদের সঙ্গে দারুণ সময় কাটালাম। দেরি করে খাবার পরিবেশন করায় তারা রাগ করেনি।” এই ভিডিওটি ৬ লক্ষ বার দেখা হয়েছে। আড়াই হাজারের বেশি কমেন্ট পড়েছে। সবাই বলছেন, প্রধানমন্ত্রীর এক অন্য রূপ দেখা গেল। কত সহজভাবে বাচ্চাদের সঙ্গে তিনি মিশে গেলেন।

আরও পড়ুন

BREAKING: শিলং-পর্ব চলবে, মঙ্গলবার ফের সকাল দশটা থেকে জেরা রাজীব কুমারকে

Shares

Comments are closed.