বিক্ষুব্ধ কংগ্রেস নেতাদের সঙ্গে সনিয়ার বৈঠকে থাকবেন রাহুল-প্রিয়ঙ্কা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: আগামীকাল কংগ্রেসের বিক্ষুব্ধ ২৩ নেতার সঙ্গে বৈঠক করবেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। এই বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী ও দলের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢড়া।

কংগ্রেসের এই বিক্ষুব্ধ নেতারা অগস্ট মাসে সনিয়া গান্ধীকে চিঠি লিখেছিলেন। সেখানে তাঁরা বলেন, দলের গঠন, কার্যপদ্ধতি ও নেতৃত্ব নিয়ে তাঁরা খুব একটা সন্তুষ্ট নন। তাই দলের নেতৃত্বে বদল দরকার বলেই মনে করেন তাঁরা। তাঁদের সঙ্গেই বৈঠক করার কথা সনিয়ার।

যদিও কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, এই বৈঠক শুধুমাত্র বিক্ষুব্ধ নেতাদের সঙ্গে নয়। কারণ চিঠিতে সই না থাকা অনেক নেতাও উপস্থিত থাকবেন এই বৈঠকে।

এই বৈঠকে সনিয়াকে রাজি করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথ। সূত্রের খবর, যে বিক্ষুব্ধ নেতারা দলের ক্রমাগত খারাপ ফলের পরে নেতৃত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন তাঁদের পাশেই দাঁড়িয়েছেন কমল নাথ। তিনি সনিয়াকে বোঝান যে এই বৈঠকের গুরুত্ব ঠিক কতটা। তারপরেই নাকি রাজি হয়েছেন সনিয়া।

কংগ্রেসের মধ্যে এই ভাঙনের খেসারত দিতে হয়েছে কমল নাথকেও। মধ্যপ্রদেশের তরুণ নেতা জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পরেই সেখানে কমল নাথের সরকার ভেঙে যায়। তাই তিনি জানেন, দলে সংহতি থাকা কতটা দরকার।

গত বছর কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে রাহুল গান্ধী পদত্যাগ করার পর থেকে নেতৃত্ব নিয়ে সমস্যা দেখা দিয়েছে। রাহুল চেয়েছিলেন গান্ধী পরিবারের বাইরে থেকে কেউ সভাপতি হন। তিনি নিজে যে সেই পদে বসবেন না, তা স্পষ্ট করে দেন। তারপরেই অনেক বৈঠকের পরে ৭৪ বছরের সনিয়া কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেন। যদিও তিনি জানিয়ে দেন, বেশিদিন এই পদে থাকবেন না তিনি।

নতুন বছরের শুরুতেই কংগ্রেসের নতুন সভাপতি নির্বাচনের কথা ভাবছে দল। কারণ ইতিমধ্যেই কর্নাটক ও মধ্যপ্রদেশে এই অন্তর্দ্বন্দ্বের খেসারত দিতে হয়েছে দলকে। রাজস্থানেও সরকার পড়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছিল। কোনও রকমে সরকার বাঁচিয়েছেন অশোক গেহলট। এখন দেখার আগামীকালের বৈঠক থেকে কী ফল মেলে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More