চিদম্বরমকে যে ভাবে গ্রেফতার করা হয়েছে, তা খুবই হতাশাজনক: মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরমকে গ্রেফতারের ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বৃহস্পতিবার দিঘা থেকে কলকাতা ফেরার পথে হেলিপ্যাডে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমি আইনের দিকটা নিয়ে বিশেষ কিছু বলতে চাই না। কিন্তু এটা মনে রাখতে হবে চিদম্বরম একজন বর্ষীয়ান রাজনীতিক। দেশের প্রাক্তন কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী। যে ভাবে তাঁকে গ্রেফতার করা হল, তা খুবই হতাশাজনক। তা বাজে এবং দুঃখজনকও বটে (স্যাড অ্যান্ড ব্যাড)”।

এখানেই থামেননি মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সবাইকেই মনে রাখতে হবে আমাদের দেশে চারটি স্তম্ভ রয়েছে। প্রথমটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান, দ্বিতীয়টি নির্বাচন কমিশন, তৃতীয়টি মিডিয়া এবং চতুর্থটি বিচার ব্যবস্থা। কিন্তু বাংলায় গণতন্ত্র আজ কাঁদছে। রবীন্দ্রনাথকে উদ্ধৃত করে বলা যায়, বিচারের বাণী নীরবে নিভৃতে কাঁদছে”। (সংবাদমাধ্যমকে গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয়। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, তা প্রতিবেদনে হুবহু উদ্ধৃত করা হয়েছে)

এ দিন সংবাদমাধ্যমকেও তীব্র সমালোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, এক শ্রেণির সংবাদমাধ্যম একেবারেই বিজেপি-র মুখপাত্র হয়ে গিয়েছে। বিজেপি যা ভিডিও করে পাঠাচ্ছে সেটাই তারা দেখাচ্ছে। “চ্যানেলগুলো হয়ে গিয়েছে বিজেপি-র রাজনৈতিক প্যানেল”।

তবে এ ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীকে পাল্টা জবাব দিতে ছাড়েননি বিজেপি নেতারা। দলের মুখপাত্র সায়ন্তন বসু বলেন, মুখ্যমন্ত্রী কেন চিদম্বরমের বিরুদ্ধে মামলার মেরিট নিয়ে কথা বলছেন না তা নিশ্চয়ই কাউকে বুঝিয়ে বলতে হবে না। তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগের পাহাড় জমে রয়েছে। রোজ তাদের এক জন করে নেতা সিবিআই অফিসে প্যারেড করে যাচ্ছেন এবং ফিরে আসছেন। তাঁর কথায়, “ব্যাপারটা এখন এমন দাঁড়িয়েছে যে চোরকে চোর বলা যাবে না। তা হলেই বলবে গণতন্ত্র কাঁদছে। অদ্ভূত কাণ্ড বটে!”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More