পেট্রল, ডিজেলের বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করুন, ২১ লক্ষ কোটি ফিরিয়ে দিন, মোদীকে চিঠি সনিয়ার

দ্য ওয়াল ব্যুরো: পেট্রল, ডিজেলের ধারাবাহিক ও লাগামহীন দাম বাড়ার বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিবাদ জানালেন কংগ্রেস সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি লিখে বর্ধিত দাম প্রত্যাহার করে নেওয়ার জন্য অনুরোধ জানালেন তিনি।

কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী জমানায় পেট্রল, ডিজেলের দামে কখনও স্বস্তি মেলেনি মধ্যবিত্ত তথা কৃষক ও পরিবহণ কর্মীদের। রবিবার সেই প্রেক্ষাপট তাঁর চিঠিতে তুলে ধরেছেন সনিয়া। তাঁর কথায়, পেট্রলের দাম বাড়তে বাড়তে এখন দেশের বহু জায়গায় প্রায় একশ ছুঁয়েছে। ডিজেলের দাম বাড়ার জন্য নাভিঃশ্বাস উঠেছে কৃষকদের। অথচ বাস্তব হল, আন্তর্জাতিক বাজারে কাঁচা তেলের দাম এখন খুব বেশি নয়।

সনিয়ার কথায়, কেন্দ্রে যখন ইউপিএ সরকার ছিল, তখন প্রতি ব্যারেল কাঁচা তেলের যা দাম ছিল এখন কাঁচা তেলের দাম তার অর্ধেক। এমনকি মোদী জমানার শুরুতে কাঁচা তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ২০ ডলারে পৌঁছেছিল। অথচ সেই সুবিধা কখনও সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়া হয়নি। তা না করে গত সাত বছরে পেট্রল, ডিজেলের দাম বাড়িয়ে ২১ লক্ষ কোটি টাকা আদায় করেছে সরকার। সেই টাকা এবার সাধারণ মানুষকে ফিরিয়ে দেওয়া হোক।

চিঠিতে কংগ্রেস সভানেত্রী এও বলেন, পেট্রল, ডিজেলের দামের বিনিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যকেই ভেস্তে দিয়েছে আপনার সরকার। কারণ, বিনিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্য ছিল, কাঁচা তেলের দাম কমলে তার সুবিধাও যেন সরকার পায়। অথচ তা কখনও আপনার সরকার করেনি। তা ছাড়া প্রতি লিটার পেট্রল ও ডিজেলে অন্তঃশুল্কও বেশ চড়া। যথাক্রমে লিটার প্রতি ৩৩ টাকা ও ৩২ টাকা।

পেট্রো পণ্যের দাম ধারাবাহিক ভাবে বাড়ায় এদিন কেন্দ্রের সমালোচনা করেছে তৃণমূলও। সেই সঙ্গে ভোটের মুখে প্রতি লিটার পেট্রল ও ডিজেলের দাম ১ টাকা করে কমানোর সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেছেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। আজ মধ্যরাত থেকে তা বলবৎ হবে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More