গোটা দিল্লিবাসীকে তিন মাসে ভ্যাকসিন দেব, নয়া ফর্মুলা কেজরিওয়ালের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: দিল্লিবাসীকে মাত্র তিন মাসের মধ্যে টিকা দেওয়ার নতুন ফর্মুলা জানালেন মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। হিসেব কষে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, মাসে যদি ৮৫ লক্ষ করেও টিকা ডোজ পাওয়া যায়, তাহলেই সকলকে দুটি করে ডোজ দেওয়া সম্ভব হবে। তাও আবার ৯০ দিনের মধ্যেই।

শনিবার বেলায় ভিডিও কনফারেন্স করে কেজরিওয়াল বলেছেন, একটু হিসেব মেনে চললেই সকলকেই কম সময় দ্রুত করোনার প্রতিষেধক দেওয়া সম্ভভ হবে। তাঁর হিসেবে, দিল্লিতে এখন প্রতিদিন এক লক্ষ টিকার ডোজ খরচ হচ্ছে। দিল্লির বাসিন্দারা ছাড়াও ফরিদাবাদ, গাজিয়াবাদ, সোনিপত, গুরগাঁও, নয়ডা থেকেও লোকজন আসছেন টিকার ইঞ্জেকশন নিতে। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, দিল্লিতে টিকাকরণের উন্নত পরিকাঠামোর কারণেই আশপাশের রাজ্য থেকেও টিকা নিতে মানুষজন ভিড় করছেন। তাই ডোজের চাহিদাও বাড়ছে। এখন যে পরিমাণ টিকার ডোজ সঞ্চয়ে রয়েছে তা ফুরিয়ে যাবে কিছুদিনের মধ্যেই। তাই কেন্দ্রীয় সরকার নতুন ডোজ সরবরাহ করলে টিকাকরণে গতি আনা যাবে।

রাজধানীতে ৪০ লক্ষ টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছে সম্প্রতি। কেজরিওয়াল বলছেন, ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সী এক কোটিকে টিকার দুটি করে ডোজ দিতে হবে, তাছাড়া ৪৫ ঊর্ধ্বদের টিকার সেকেন্ড ডোজও দিতে হবে। সব মিলিয়ে আড়াই কোটির বেশি ভ্যাকসিনের ডোজ দরকার পড়বে। সেই হিসেব ধরলে প্রতি মাসে যদি ৮৫ লক্ষের কাছাকাছি ভ্যাকসিনের ডোজ পাওয়া যায়, তাহলেই সকলকে টিকা দেওয়া সম্ভব হবে।

দিল্লির অন্তত ১০০টি স্কুলে ভ্যাকসিন সেন্টার বানিয়ে ১৮ থেকে ৪৪ বছর বয়সীদের টিকা দেওয়া হচ্ছে। কেজরিওয়াল বলছেন, আর কিছুদিনের মধ্যে ভ্যাকসিন সেন্টারের সংখ্যা ৩০০ ছাড়াবে। আরও বেশিজনকে টিকা দিতে হবে। দিল্লির এখন যা কোভিড পরিস্থিতি তাতে তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই টিকাকরণে গতি আনতে হলে এই ফর্মুলা মেনে চলতেই হবে বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More