সাঁইথিয়ার বিজেপি প্রার্থীর ওপর হামলা, রোড শো থেকে থানা ঘেরাওয়ে সামিল শুভেন্দু

দ্য ওয়াল ব্যুরো, বীরভূম: ভোট প্রচারের সময় সাঁইথিয়ার বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহার ওপর হামলার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের ওপর। পরে প্রার্থীর ওপর হামলা চালানোর অভিযোগে সিউড়ি থানা ঘেরাও করা হয়। সিউড়িতে রোড শো ছিল বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীর। সেখানে থেকে সোজা তিনি থানা ঘেরাওয়ে কর্মীদের সঙ্গে সামিল হন। তিনি পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গেও কথা বলেন। দোষীদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে তৃণমূল এই ঘটনাকে বিজেপির সাজানো ঘটনা বলে ব্যাখ্যা করেছে।

জানা গিয়েছে, সাঁইথিয়ায় দান্তে গ্রামে ভোট প্রচারে গিয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী পিয়া সরকার। সেখানেই তাঁর প্রচার চলার সময় আচমকা হামলা চালানো হয়। বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয়েছে বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থী পিয়া সাহার অভিযোগ, ”এলাকাটি স্পর্শকাতর। তাই, হামলার আশঙ্কায় আগে থেকেই পুলিশি নিরাপত্তা দেওয়ার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই পরিমাণ পুলিশ দেওয়া হয়নি।”

অন্যদিকে বিজেপির আরও অভিযোগ, ডোমাইপুর গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে হামলা চালানো হয়েছে। সাত থেকে আটটি বাড়িতে ভাঙচুর করা হয়। পিয়া সাহার প্রচারে আসার খবর পেতেই গত রাত থেকেই ডোমাইপুরের রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়ে ছিল। বিজেপির দাবি, ওই এলাকায় এক তৃণমূল নেতা পিয়া সাহার প্রচার বানচাল করতে নিজের বাড়িতে বোমা ফাটিয়ে বিজেপির ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করেন। পরে তৃণমূল কর্মীরা বিজেপির কর্মীদের বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি চালায়। তাই এদিন ডোমাইপুরে পিয়া সাহার প্রচার বাতিল করে দল।

তবে এই ঘটনাকে স্থানীয় তৃণমূল নেতা রাজু মুখোপাধ্যায়, সাজানো ঘটনা বলে দাবি করেছেন। তাঁর দাবি, ”বিজেপির দলবল তৃণমূল কর্মীদের বাড়ি লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে ছিল। পরে সেখানে বোমাবাজিও করা হয়। সেই অভিযোগ নিয়ে তৃণমূল পুলিশের দারস্থ হত। কিন্তু নিজেদের দোষ ঢাকতে আগেই মিডিয়ার কাছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে বিজেপি। এই ঘটনায় তৃণমূলের লোকজন আক্রান্ত হয়েছে। বিজেপির নয়।”

এদিকে এই সমস্ত ঘটনা প্রতিবাদ জানিয়ে সিউড়ি থানাতে ঘেরাও অভিযান চালায় বিজেপি কর্মীরা। সেখানে আন্দোলন জোরদার করতে ঘেরাওয়ে সামিল হন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন ইলামবাজার ও রাজপুরে তাঁর প্রচার ছিল। তিনি সিউড়ির করিদাতে একটি রোড শো করেন। কিন্তু প্রার্থী আক্রান্তের খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ছুটে যান সিউড়ি থানায়। সেখানে তিনি আধ ঘণ্টা থানার আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলেন।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More