৬ হাজার টাকা করে যেন পান গর্ভবতী ও স্তন্যপান করানো মহিলারা, সনিয়ার নির্দেশ কংগ্রেসি মুখ্যমন্ত্রীদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ন্যাশনাল ফুড সিকিওরিটি অ্যাক্ট বা জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনের আওতাভুক্ত যোগ্য গর্ভবতী মহিলা এবং যেসব মায়েরা স্তন্যপান করান তাঁদের ন্যূনতম ৬ হাজার টাকা দিতে হবে। এই পরিমাণ টাকা যেন ওই মহিলারা পান তা নিশ্চিত করতে কংগ্রেসের সমস্ত মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি পাঠিয়েছেন দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সনিয়া গান্ধী। অর্থাৎ যেসমস্ত রাজ্যে কংগ্রেসের সরকার রয়েছে সেখানে যাতে এই ব্যবস্থা দ্রুত চালু হয় তা সুনিশ্চিত করতে চাইছেন সনিয়া গান্ধী।

চিঠিতে তিনি লিখেছেন, গর্ভবতী মহিলা এবং স্তন্যপান করানো মায়েদের যাতে ৬০০০ টাকা করে দেওয়া হয় তা সুনিশ্চিত করতে হবে। যাঁরা অন্য কোনও স্কিম থেকে অন্যান্য সুবিধা পাচ্ছেন তাঁরা এক্ষেত্রে আওতাভুক্ত হবেন না। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে অর্থাৎ যেসব অন্তঃসত্ত্বা এবং স্তন্যপান করানো মহিলারা এই সুবিধা ভোগের যোগ্য তাঁদের জন্য যেন এই স্কিম যেন দ্রুত চালু হয় তার ব্যবস্থা করার কথা ওই চিঠিতে জানিয়েছেন সনিয়া গান্ধী।

তিনি আরও বলেছেন, কংগ্রেস শাসিত রাজ্যগুলোতে এই স্কিম চালু হয়ে গেলে বৃহত্তর ক্ষেত্রে এই বিষয়ে আলোচনা করা যাবে। বাকি রাজ্যেও যাতে এই সুবিধা চালু করা যায় সে ব্যাপারে কেন্দ্রের সঙ্গে আলোচনা সম্ভব হবে বলেও মত সনিয়ার। পাশাপাশি কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ দেগে তিনি এও বলেছেন যে প্রধানমন্ত্রী মাতৃবন্দনা যোজনায় টাকার পরিমাণ ৬ হাজার থেকে কমিয়ে ৫ হাজার করা হয়েছে। এছাড়াও বর্তমানে কেন্দ্রের এই স্কিমে একজন মহিলা প্রতি একটি সন্তানের ক্ষেত্রেই এই সুবিধা পাওয়া যায়। এইসব বিধিনিষেধ জাতীয় খাদ্য সুরক্ষা আইনকে লঙ্ঘন করার সমান।

রিপোর্ট অনুযায়ী ২০১৭-১৮ সালে কেন্দ্রের এই স্কিম অনুযায়ী মাত্র ২২ শতাংশ মহিলা এই সুবিধা পেয়েছেন। এত কম সংখ্যক মহিলা এই সুবিধা পাওয়ার কারণ হিসেবে সনিয়া বলেন, কেন্দ্রের অনলাইন পেমেন্ট পদ্ধতিই এজন্য দায়ী। কারণ এর সঙ্গে আধার সংযুক্তকরণের ব্যাপার ছিল। যার ফলে প্রচুর টেকনিকাল বা প্রযুক্তিগত সমস্যা দেখা দিয়েছে। কোথাও লিঙ্ক ফেল হয়েছে। কোথাও বা সময়ে জমা পড়েনি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা।

কংগ্রেস পরিচালিত সব রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তাই সনিয়া গান্ধী অনুরোধ জানিয়েছেন দ্রুত যেন এই সমস্যায় খতিয়ে দেখে তার নিষ্পত্তি করা হয়। যত দ্রুত সম্ভব যোগ্য মহিলারা যেন সঠিক পরিষেবা পান সেদিকেও নজর দেওয়ার কথা বলেছেন তিনি। পাশাপাশি কী কী সমস্যা হচ্ছে সেগুলিও খতিয়ে দেখার পরামর্শ দিয়েছেন সনিয়া গান্ধী।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More