রুদ্ধশ্বাস ম্যাচ টাই, সুপার ওভারে কলকাতাকে হারিয়ে জয় দিল্লির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একসময় দেখে মনে হয়েছিল এক ওভার বাকি থাকতেই জিতে যাবে দিল্লি। কিন্তু শেষ ওভারে দুরন্ত বোলিংয়ে ম্যাচ টাই করেন কুলদীপ যাদব। সুপার ওভারে রাবাদার নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে কলকাতা নাইট রাইডার্সকে হারিয়ে ম্যাচ পকেটে পুড়ল দিল্লি। মরসুমে প্রথম হারের মুখোমুখি হলো দীনেশ বাহিনী।

দিল্লির বিরুদ্ধে এ দিন টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নামে কলকাতা। শুরুতেই ব্যাটিং বিপর্যয়ের মুখে পড়ে কেকেআর। নতুন নামা নিখিল নায়েক, ক্রিস লিন, রবিন উথাপ্পা, নীতীশ রাণা, শুভমান গিল, কেউ রান পাননি। একসময় দেখে মনে হচ্ছিল ১২০ রানও বোধহয় হবে না। তখনই মঞ্চে আসেন রাসেল। সঙ্গী অধিনায়ক দীনেশ কার্তিক। ফের একবার রাসেল শো দেখল কোটলা। দুরন্ত ব্যাটিং করেন দুজনে। বেশি মারমুখী ছিলেন রাসেল। ২৮ বলে ৬২ করে আউট হন তিনি। কার্তিকও ৩৬ বলে ৫০ করেন। শেষ পর্যন্ত ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৫ তোলে কেকেআর।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে শিখর ধাওয়ান তাড়াতাড়ি প্যাভিলিয়নে ফিরলেও এ দিন নিজের খেলা দেখালেন তরুণ পৃথ্বী শ। শুরু থেকেই মেরে খেলছিলেন ভারতীয় ক্রিকেটের এই উদীয়মান তারকা। তাঁকে সঙ্গত দেন অধিনায়ক শ্রেয়স আয়ার। তিনি ৪৩ করে আউট হন। একসময় ১৮ বলে ১৮ রান দরকার ছিল দিল্লির। ক্রিজে ৯৯ রানে ব্যাট করছিলেন পৃথ্বী। সবাই যখন প্রস্তুত হচ্ছেন চলতি আইপিএলে আরেক ভারতীয়র সেঞ্চুরি দেখার জন্য, তখনই অঘটন। ৯৯ রানেই আউট হন পৃথ্বী। শেষ ওভারে দরকার ছিল ৬ রান। কিন্তু কুলদীপের দুরন্ত বোলিংয়ে মাত্র ৫ রান করতে পারে দিল্লি। ফলে ম্যাচ টাই হয়।

সুপার ওভারে প্রথমে ব্যাট করে ১০ রান করে দিল্লি। জবাবে ব্যাট করতে নেমে প্রথম বলেই চার মারেন রাসেল। কিন্তু দু’বল পরেই দুরন্ত ইয়র্কারে রাসেলকে আউট করেন রাবাদা। পরের তিন বলে মাত্র তিন রান করতে পারে কলকাতা। ফলে তিন রানে ম্যাচ জিতে যায় দিল্লি।

টানটান এই ম্যাচে শেষ হাসি হাসল দিল্লি। ডাগআউটে বসে ঘরের দলের হার দেখলেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি এখন দিল্লি দলের উপদেষ্টা। চলতি আইপিএলে পরপর দু’ম্যাচে জয়ের পর হারের মুখোমুখি হলো নাইট রাইডার্স।

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More