রবিবার, ফেব্রুয়ারি ১৭

পাহাড়ে ধাক্কা খেলো চেন্নাই এক্সপ্রেস, লিগের লড়াইয়ে আরও সুবিধা লাল-হলুদের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মণিপুরের খুমান লম্পক স্টেডিয়ামে শেষ বাঁশি বাজার পর হাসি ফুটল দেড় হাজার কিলোমিটার দূরে লেসলি ক্লডিয়াস সরণীর ক্লাব তাঁবুতে। পাহাড়ে নেরোকার কাছে যে তখন আটকে গিয়েছে লিগ লিডার চেন্নাই। তার মানে পরের দুটো ম্যাচ জিততে পারলেই লিগ তালিকায় চেন্নাই সিটি এফসির সঙ্গে পয়েন্ট সমান হয়ে যাবে লাল-হলুদের।

নেরোকার ঘরের মাঠে অবশ্য এ দিন শুরুতে ছবিটা ছিল অন্যরকম। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক চেন্নাই। অ্যাওয়ে দলের স্প্যানিশ ব্রিগেডের সামনে পেরে উঠছিলেন না কাটসুমিরা। ফলস্বরূপ প্রথমার্ধেই তিন গোল খেতে হয় হোম টিমকে। তিনটি গোল করে প্রথমার্ধেই হ্যাটট্রিক করে ফেলেন চেন্নাই স্ট্রাইকার পেড্রো মানজি। এটা নিয়ে তাঁর তিন নম্বর হ্যাটট্রিক হয়ে গেল। মাত্র ১৬ মিনিটের মধ্যেই হয়ে যায় এই হ্যাটট্রিক। ৩৫ মিনিট, ৪২ মিনিট ও প্রথমার্ধের অতিরিক্ত সময়ে গোল করেন মানজি।

দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য খেলার ছবি পুরোটাই বদলে গেল। দারুণভাবে ম্যাচে ফিরল নেরোকা। ৫২ মিনিটে ব্যবধান কমান ফেলিক্স চিডি। ৬৭ মিনিটে নেরোকার দ্বিতীয় গোল করেন লোনে আসা চেঞ্চো। কিন্তু সমতাসূচক গোল আসছিল না। শেষ পর্যন্ত ৮৭ মিনিটের মাথায় উইলিয়ামস নেরোকার হয়ে তৃতীয় গোল করেন। ৩-৩ গোলে ড্র হয় খেলা।

এ দিনের ড্রয়ের ফলে ১৬ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট হলো চেন্নাইয়ের। দুয়ে কাশ্মীর ও তিনে চার্চিল থাকলেও তারা যথাক্রমে ১৬ ও ১৭ ম্যাচ খেলেছে। কেবলমাত্র ইস্টবেঙ্গল ১৪ ম্যাচ খেলেছে। ১৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ২৮। বৃহস্পতিবার শিলং ও রবিবার চার্চিলের বিরুদ্ধে ম্যাচ খেলবে লাল-হলুদ ব্রিগেড। দুটো ম্যাচই হবে যুবভারতীতে। এই দুই হোম ম্যাচে যদি ইস্টবেঙ্গল পুরো পয়েন্ট তুলতে পারে তাহলেই ১৬ ম্যাচে ৩৪ পয়েন্ট হবে ইস্টবেঙ্গলেরও।

যদিও যদিও গোলপার্থক্য ও হেড-টু-হেডে তখনও এগিয়ে থাকবে চেন্নাই। কিন্তু এখনও চারটি খেলা বাকি চেন্নাইয়ের। মোহনবাগান, চার্চিলের মতো প্রতিপক্ষের সঙ্গে খেলতে হবে লিগ লিডারদের। অর্থাৎ এইসব ম্যাচে পয়েন্ট নষ্ট করলেই সুযোগ চলে আসবে ইস্টবেঙ্গলের কাছে।

এর মধ্যেই রবিবারের ইস্টবেঙ্গল ও রিয়েল কাশ্মীরের মধ্যে বাতিল হয়ে যাওয়া ম্যাচের দিন ঘোষণা করল এআইএফএফ। ২৮ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরেই হবে খেলা। দুপুর ২টোই শুরু হবে খেলা।

Shares

Comments are closed.