নতুন চ্যালেঞ্জ সৌরভের, ১৮ মাসে বিশ্বের সেরা ক্রিকেট অ্যাকাডেমি হবে এনসিএ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বোর্ডের মসনদে বসার পর থেকে দম ফেলার সময় নেই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের। প্রথমে দিন-রাতের টেস্ট, তারপর ভারত-সহ চার দেশকে নিয়ে সুপার সিরিজ, এবার ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমি ( এনসিএ ) নিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জ নিলেন সৌরভ। বললেন, ১৮ মাস সময় পেলে বিশ্বের সেরা ক্রিকেট অ্যাকাডেমি হবে এনসিএ।

সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে একথা বলেন দাদা। প্রেসিডেন্ট হওয়ার পর থেকে তৃণমূল স্তর থেকে ক্রিকেটার তুলে আনার দিকে জোর দিয়েছেন সৌরভ। এইসব ক্রিকেটারকে এনসিএতে প্রশিক্ষণ দেওয়ার কথাও বলেন তিনি। এবার মহারাজ জানালেন, কোনও ক্রিকেটার চোট পেলে তাঁকে এনসিএতে সময় কাটিয়ে তারপরেই জাতীয় দলে ফিরতে হবে।

সৌরভ বলেন, “এই ব্যাপারে রাহুল দ্রাবিড়ের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। রাহুল এখন এনসিএর দায়িত্বে। আমি বলেছি, কোনও ক্রিকেটার চোট পেলে তাঁকে চোট সারিয়ে এনসিএতে কিছুদিন থাকতে হবে। সেখানেই বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে কাটানোর পরেই জাতীয় দলে ফিরতে পারবেন তিনি। সবার দিকে সব গুরুত্ব দেওয়া হবে। কারও যেন মনে না হয় দলে ফেরার রাস্তা তাঁর জন্য বন্ধ।”

ন্যাশনাল ক্রিকেট অ্যাকাডেমির পরিকাঠামো আরও উন্নত করার কথাও বলেন সৌরভ। তিনি বলেন, “বেঙ্গালুরুতে নতুন জমি পেয়েছি আমরা। সেখানে কাজ শুরু হয়ে যাবে। যদি আমরা দায়িত্বে থাকি তাহলে ১৮ মাসের মধ্যে সব কাজ হয়ে যাবে। একটা আন্তর্জাতিক স্তরের অ্যাকাডেমিতে যেসব সুবিধে থাকে সব থাকবে এই অ্যাকাডেমিতে। বিশ্বের সেরা ক্রিকেট অ্যাকাডেমি হবে এনসিএ।”

এদিনের সাক্ষাৎকারে ফের সুপার সিরিজের কথা বলেন দাদা। তাঁর কথায়, “আমরা চার দেশকে নিয়ে একটা টুর্নামেন্টের কথা বলেছি। কারণ ভারত, অস্ট্রেলিয়া, ইংল্যান্ড আলাদাভাবে খেললে যত দর্শক দেখেন, একসঙ্গে খেললে তার থেকে অনেক বেশি সংখ্যক দর্শক দেখবেন। এই তিন দেশ ছাড়া নিউজিল্যান্ড ও দক্ষিণ আফ্রিকার মধ্যে একটা দেশ খেলতে পারে। এতে ক্রিকেটের দর্শক আরও বেশি করে ফিরে আসবে। এই ধরনের টুর্নামেন্ট এখন আর হয় না। তবে তার জন্য আগে আইসিসির অনুমতি চায়। তারপর চার দেশের বোর্ড একসঙ্গে বসে সূচি ঠিক করতে হবে।”

কলকাতায় দিন-রাতের টেস্ট সফলভাবে হওয়ার পর প্রতিটি সিরিজেই একটা করে দিন-রাতের টেস্ট খেলার ব্যাপারে আশাবাদী সৌরভ। তাঁর বক্তব্য, “কলকাতায় ৬০ হাজার লোক একসঙ্গে বসে খেলা দেখেছে। শেষ কবে এত দর্শক টেস্ট ম্যাচ দেখতে মাঠে এসেছেন। কলকাতার ইডেন, মুম্বইয়ের ওয়াংখেড়ে, বেঙ্গালুরুর চিন্নাস্বামী ও গুজরাতের রাজকোট এই চারটে স্টেডিয়ামকে দিন-রাতের টেস্ট ম্যাচের ভেন্যু হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে বোর্ডের।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More