অভিষেকের দরজায় সিবিআই: ‘অবাক হওয়ার কিছু দেখছি না’, বললেন অধীর

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বেআইনি কয়লা পাচার কাণ্ডের তদন্তের সূত্র ধরে রবিবার দুপুরে কালীঘাটে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছে গিয়েছে সিবিআই। অভিষেকের স্ত্রী রুজিরা নারুলাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য নোটিস দেওয়া হয়েছে বলে খবর।

এদিন সে ব্যাপারে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অধীর চৌধুরীর প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, “তাতে কী হল, যদি নোটিস পাঠানোর থাকে তা হলে পাঠিয়েছে। যদি কেউ বেআইনি কয়লা পাচার কাণ্ডে জড়িয়ে থাকে তা হলে সিবিআই নোটিস পাঠাতেই পারে”।

অধীরবাবুর কথায়, “আমরা দেখব যেন নিরপেক্ষ তদন্ত হয়। কিন্তু এটাও তো দেখব যে কোনও অপরাধী যেন নিষ্কৃতিও না পায়। আমি এর মধ্যে অবাক হওয়ার মতো দেখছি না। কারণ, বাংলায় এটা সবাই জানে কয়লা পাচার, গরু পাচার, বালি পাচারের সঙ্গে সরকারি দল তৃণমূলের বিশাল একটা অংশ জড়িত রয়েছে। তৃণমূলের নেতা নেত্রী সহ এরকম বহু লোক জড়িত, প্রশাসনের বড় বড় কর্তা ব্যক্তি জড়িত। ফলে সিবিআই এরকম নোটিস পাঠাতেই পারে।”

এই প্রতিবেদন যখন লেখা হচ্ছে অর্থাৎ বিকেল সাড়ে তিনটে পর্যন্ত এ বিষয়ে তৃণমূলের দলীয় তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া দেওয়া হয়নি। কেবল ঘরোয়া ভাবে বলা হয়েছে, একে একে সব শরিক যখন বিজেপিকে ছেড়ে যাচ্ছে তখন বিজেপির নতুন শরিক হয়েছে সিবিআই।

তবে অধীর চৌধুরীর মন্তব্যের একটা বিষয় খুব তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে যাচ্ছে। তা হল সিবিআইয়ের রাজনৈতিক অপব্যবহার নিয়ে অনেক সময়েই কংগ্রেস, তৃণমূল একই সঙ্গে দিল্লিতে সরব হয়। তাতে জুড়ে যায় বামস্বরও। কিন্তু লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী বুঝিয়ে দিলেন, সিবিআইয়ের আজকের পদক্ষেপ নিয়ে তাঁদের কোনও আপত্তি বা বক্তব্য নেই। বরং বাংলায় শাসক দলের ছত্রচ্ছায়ায় যে কয়লা, বালি, পাথর চুরির ঘটনা ঘটেছে এবং তাতে যে শাসক দলের অনেক বড় নেতা জড়িত, সেই কথাটা দ্ব্যর্থহীন ভাবে তুলে ধরতে চেয়েছেন তিনি।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More