পাড়ায় পাড়ায় রাত্রিবাস, ভোটার লিস্টের পাতা পিছু একজন, গুচ্ছ টাস্ক দিয়ে গেলেন নাড্ডা

সোমবার তৃতীয়ার দুপুরে শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি বিধানসভার নেতাদের একগুচ্ছ টাস্ক দিয়ে গেলেন বিজেপি সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

দ্য ওয়াল ব্যুরো: ২০১৮ সালের পুজোর আগের সময়টা মনে পড়ে? নেতাজি ইনডোর স্টেডিয়ামে সভা করে বঙ্গ বিজেপিকে ভোকাল টনিক দেওয়ার পাশাপশি প্রায় এক ডজন সাংগঠনিক কাজ দিয়ে গিয়েছিলেন তৎকালীন বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ।

সোমবার তৃতীয়ার দুপুরে শিলিগুড়িতে উত্তরবঙ্গের ৫৪টি বিধানসভার নেতাদের একগুচ্ছ টাস্ক দিয়ে গেলেন বিজেপি সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা।

কী কী বলেছেন নাড্ডা?

এক, ২১ এ বাংলা দখলের জন্য একগুচ্ছ টাস্ক দিয়ে গেলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা।২০০ বেশি আসনে জয়ী হতেই হবে। গোপন মিটিংয়ে নিম্নলিখিত নির্দেশ অক্ষরে অক্ষরে পালন করার কড়া নির্দেশ।

১) প্রত্যেক বিধানসভা এলাকার কনভেনারদের নিজের বিধানসভা এলাকায় বিভিন্ন পাড়ায়, গ্রামে, মহল্লায় দফায় দফায় রাত্রিবাস করে জনসংযোগ স্থাপন করতে হবে।

২) সমস্ত কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলিকে কন্ঠস্থ করে তা নির্ভুল ভাবে মানুষের মধ্যে জোরদার প্রচার করতে হবে।

৩) রাজ্য সরকার তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, স্বজনপোষণ, কাটমানি, চিটফান্ডের মতো ইস্যু নিয়ে প্রচারকে তুঙ্গে তুলে ধরতে হবে।

৪) আগামী এক মাসের মধ্যে বুথে বুথে পান্না প্রমুখ (ভোটার লিস্টের একটি পাতা পিছু একজন) নিয়োগ নিশ্চিত করুন। শুধু নিয়োগ করলেই হবে না তাঁদের নজরদারিতে রাখতে হবে। নির্দিষ্ট সময় অন্তর কাজের পর্যালোচনা করতে হবে।

৫) যাঁরা কেন্দ্রীয় সরকারী প্রকল্পে সুযোগ সুবিধা পেয়েছেন তাঁদের সঙ্গে আরও বেশি করে সম্পর্ক স্থাপন জরুরি কাজ।

৬) প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় থাকা ক্লাব, সামাজিক সংগঠন, এনজিও-সহ এলাকায় সামাজিক প্রতিষ্ঠা রয়েছে এমন রাজনৈতিক বা অরাজনৈতিক ব্যাক্তিদের সঙ্গে জনসংযোগ বাড়ানো জরুরি কাজ।

৭) দলের মধ্যে উপদলীয় কাজ যারা করবে তাদের রেহাই মিলবে না। দল থেকে বহিষ্কার করা হবে।

উত্তরবঙ্গের সমস্ত জেলার জেলা সভাপতি, সাংগঠনিক সম্পাদক, ৫৪ টি বিধানসভার কনভেনার, কো-কনভেনার, সাংসদ ও বিধায়করা উপস্থিত ছিলেন সোমবারের বৈঠকে। বৈঠকে বিজেপি সভাপতি বলে গিয়েছেন, তিনি যা যা নির্দেশ দিয়েছেন তা কী কী কার্যকর হল এবং হল না তা পর্যালোচনা করতে দুমাস পর ফের রাজ্যে আসবেন।

পর্যবেক্ষকদের মতে, সারা বছরের রাজনৈতিক কর্মসূচির সাংগঠনিক কাঠামো আর নির্বাচনী সংগঠনের মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। পুজোর আগে এসে সেই কাজেই অক্সিজেন দিতে চাইলেন নাড্ডা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More