‘মানসিক যন্ত্রণা বোঝানো যাবে না’, ব্রিগেডে নেই বুদ্ধদেব, সাফল্য কামনা করে বার্তা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার বিকেলে সিপিএম নেতৃত্ব জানিয়েছিল, চিকিত্‍সকরা সবুজ সঙ্কেত দিয়েছেন। সব ঠিক থাকলেও বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ব্রিগেডে থাকতে পারেন। কিন্তু না। তা আর হচ্ছে না। মিটিংয়ে আসছেন না বুদ্ধদেববাব।

তিনি লিখিত বার্তায় জানিয়েছেন, “ব্রিগেড সমাবেশ নিয়ে বিভিন্নভাবে খবরাখবর নেওয়ার চেষ্টা করছি। শুনে বুঝতে পারছি বহু মানুষ সমাবেশে আসবেন এবং অনেকে এসে গেছেন। বড় সমাবেশ হবে। এরকম একটা বৃহৎ সমাবেশে যেতে না পারার মানসিক যন্ত্রণা বোঝানো যাবে না। মাঠে ময়দানে কমরেডরা লড়াই করছেন আর আমি শারীরিক অসুস্থতা নিয়ে ডাক্তারবাবুদের পরামর্শ মেনে চলেছি। ময়দানে মিটিং চলছে আর আমি গৃহবন্দী যা কোনওদিন কল্পনাও করতে পারিনি। সমাবেশের সাফল্য কামনা করছি।”

২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির গোড়ায় ব্রিগেড করেছিল বামফ্রন্ট। বক্তা তালিকায় বুদ্ধদেববাবুর নাম ছিল না। মাঠে উপস্থিত লক্ষ বাম জনতা জানতেন বুদ্ধদেববাবু আসবেন না। কিন্তু সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ মিরাকল ঘটে যায়। বুদ্ধদেববাবু তাঁর স্ত্রীকে জানান, “আমি পারব। যাব ব্রিগেড।”

তারপর নাকে অক্সিজেনের নল লাগিয়ে পাম এভিনিউ থেকে ব্রিগেডের উদ্দেশে রওনা দেয় বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের কনভয়। ঠিক দশ মিনিট মাঠে দাঁড়ানো ছিল বুদ্ধদেববাবুর গাড়ি। ভিতরেই বসেছিলেন সস্ত্রীক প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

কিন্তু দুবছর আগের ব্রিগেড আর এবারের মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। এর মধ্যে দুবার হাসপাতালে ভর্তি থাকতে হয়েছে বুদ্ধদেববাবুকে। কয়েকমাস আগে উদ্বেগজনক অবস্থা তৈরি হয়েছিল তাঁর।

এদিন ব্রিগেড পরিদর্শনে গিয়ে বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু বলেন, “এর আগে কখনও আমরা কংগ্রেসের সঙ্গে ব্রিগেড করিনি। আইএসএফও লোক আনবে। আরজেডি রয়েছে। ফলে এবারের ব্রিগেড একটা নতুন ব্রিগেড হতে চলেছে।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More