ধূপগুড়ি দুর্ঘটনা: প্রধানমন্ত্রীর পরেই ক্ষতিপূরণ ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীরও

দ্য ওয়াল ব্যুরো: মঙ্গলবার রাতে ধূপগুড়ির ভয়ঙ্কর পথ দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে ১৪ জনের। আহত বহু। তারপর বুধবার ক্ষতিপূরণ ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। ঠিক তার পরেই পুরুলিয়ার কর্মসূচি থেকে পৃথক ভাবে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

প্রধানমন্ত্রীর জাতীয় ত্রাণ তহবিল থেকে নিহতদের পরিজনদের ২ লক্ষ টাকা করে এবং আহতদের এককালীন ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে বলে ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। পাশাপাশি তিনি লিখেছেন, দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারগুলিকে সব রকম সাহায্য করবে কেন্দ্র!

এরপরেই মুখ্যমন্ত্রী ঘোষণা করেন, মৃতদের আড়াই লক্ষ টাকা, গুরুতর আহতদের ৫০ হাজার টাকা এবং অল্প আহতদের ২৫ হাজার টাকা ক্ষতিপূরণ দেবে রাজ্য সরকার। এদিন পুরুলিয়া শহরের বেলগুমা পুলিশ লাইনে একটি প্রশাসনিক বৈঠক সারেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখান থেকেই একগুচ্ছ সরকারি প্রকল্পের উদ্বোধন ও শিল্যান্যাস করেন মমতা। বৈঠকের পর পুলিশ লাইন থেকেই হেলিকপ্টারে করে কলকাতার উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।

মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৯টা নাগাদ কনেযাত্রীর তিনটি ছোট গাড়ি যাচ্ছিল ময়নাতলি এলাকায়। কিন্তু রাস্তা ফাঁকা থাকায় গাড়িগুলি যাচ্ছিল উল্টোদিকের লেন ধরে। অন্যদিকে সেই লেন ধরেই আসছিল ১০ চাকার একটি বোল্ডার বোঝাই ট্রাক। সেটি যাচ্ছিল ময়নাগুড়ির দিকে। একই লেনে হওয়ায় কনেযাত্রীর একটি গাড়ির সঙ্গে ট্রাকটির ধাক্কা লাগে। তাতে সেটি কাত হয়ে যায়। সেই সময় কনেযাত্রীর আরও দুটি গাড়ি পাশ কাটিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু ট্রাকের তলায় চাপা পড়ে গাড়ি দুটি।

এই ঘটনায় আহত হয়েছেন ১৬ জন। তাদের ধূপগুড়ি হাসপাতাল ও জলপাইগুড়ি সুপার স্পেশ্যালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সেখানে তাদের দেখতে যান জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার প্রদীপ কুমার যাদব, ধূপগুড়ির বিধায়ক মিতালী রায় ও এসডিও। আহত ও মৃতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন তাঁরা। চিকিৎসার যাতে কোনও অসুবিধা না হয় তা খতিয়ে দেখেন। পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে কনেযাত্রীর গাড়িগুলি উল্টোদিকের লেন দিয়ে যাচ্ছিল। তাই এই দুর্ঘটনা ঘটেছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More