খানাখন্দে ভর্তি রাস্তা, দ্রুত সংস্কারের দাবি হরিশ্চন্দ্রপুরের বাসিন্দাদের, আন্দোলনের হুঁশিয়ারি

দ্য ওয়াল ব্যুরো, মালদাঃ বেহাল অবস্থা রাস্তার। প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা ঘটছে। অনেক বলেও খানাখন্দ ভরাট করার কাজ হচ্ছে না। আর এই বেহাল রাস্তা নিয়ে ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তা সারাইয়ের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা। সংস্কার না হলে আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

মালদা জেলার হরিশ্চন্দ্রপুরের ২ নম্বর ব্লকে মণিপুর থেকে দিল্লি দেওয়ানগঞ্জ পর্যন্ত দীর্ঘ ২২ কিলোমিটার রাস্তার অবস্থা বেহাল। অনেক দিন ধরে অভিযোগ করেও হুঁশ ফেরেনি প্রশাসনের। পুরো রাস্তা জুড়েই খানাখন্দে ভরা। কোথাও আবার এত বড় গর্ত যে ছোট গাড়ি চলাচল করা সমস্যার হয়ে দাঁড়িয়েছে। বর্ষার সময় এই রাস্তায় চলা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রায় রোজ ঘটে দুর্ঘটনা।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ২০১২ সালে শেষবারের মতো মেরামতির কাজ হয়েছিল। তারপর থেকে দীর্ঘ আট বছর কিছু হয়নি। আর তার ফলেই প্রতি বছর রাস্তার অবস্থা আরও খারাপ হচ্ছে। দিন দিন আরও ক্ষয়ে যাচ্ছে রাস্তা। তার মধ্যে বড় গাড়ি যাতায়াত করার ফলে গর্ত আরও বড় হচ্ছে। বর্ষার সময় খানাখন্দগুলি প্রায় জলাশয়ের রূপ নিয়েছে।

জানা গিয়েছে, এই রাস্তা হয়েই হরিশ্চন্দ্রপুর ২ নম্বর ব্লকের দৌলত নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার গোবরা, ফতেপুর, তেলজান্না প্রভৃতি এলাকা হয়ে পাশের রাজ্য বিহার পর্যন্ত যাওয়া যেতে পারে। এই রাস্তার পাশেই দুটি হাইস্কুল, ৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বেশ কিছু শিশু শিক্ষা কেন্দ্র রয়েছে। তার ফলে বাচ্চাদের ওই রাস্তা দিয়েই স্কুলে যেতে হয়। প্রতিদিন প্রাণ হাতে নিয়ে বাচ্চাদের স্কুলে পাঠান বলে অভিযোগ বাবা-মায়েদের।

স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযোগ করেছেন, ওই রাস্তার পাশেই গোবরায় সাপ্তাহিক হাট বসে। এমনকি ওই রাস্তা দিয়েই দৌলত নগর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দাদের ভালুকা হাইস্কুল ও ভালুকা স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও আসতে হয়। প্রতিদিন কয়েক হাজার মানুষের যাতায়াত হয় ওই রাস্তার উপর দিয়ে। অথচ যানবাহন তো দূরের কথা, পায়ে হেঁটেও সেখান দিয়ে যাতায়াত করা কঠিন হয়ে পড়েছে।

এই অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, যদি অবিলম্বে রাস্তা মেরামত না হয়, তাহলে তাঁরা আন্দোলনে নামবেন। এতদিন ধরে এত সমস্যা দেখেও প্রশাসন চুপ। জনপ্রতিনিধিরও দেখা নেই। তাই আন্দোলন ছাড়া তাঁদের কাছে কোনও বিকল্প নেই বলেই অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More