নৈহাটি বিস্ফোরণ: বাড়ল মৃতের সংখ্যা, এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

দ্য ওয়াল ব্যুরো: নৈহাটিতে বাজি কারখানায় বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৫। এখনও গুরুতর আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি ৭ জন। তাদের মধ্যে ৪ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। এদিকে এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছে বিজেপি।

নৈহাটির দেবক এলাকার বাসিন্দা অভয় মান্ডিকে এদিন সকালে কল্যাণী মেডিক্যাল কলেজ থেকে কলকাতায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। পথেই মৃত্যু হয় তাঁর। এদিন ঘটনাস্থলে আসেন ব্যারাকপুর কমিশনারেটের কমিশনার মনোজ কুমার বর্মা। কারখানার মালিক নুর হুসেনকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে নমুনা সংগ্রহের জন্য ফরেন্সিক দল আসবে বলেও জানা গিয়েছে।

এই ঘটনার প্রতিবাদে এদিন দেবক মোড়ে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান এলাকার মহিলারা। তাঁদের দাবি এলাকায় যত বাজি কারখানা আছে, সবগুলি বন্ধ করতে হবে। প্রশাসনকে কড়া হাতে সবটা মোকাবিলা করার দাবিও জানিয়েছেন ওই মহিলারা। অন্যদিকে রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক সায়ন্তন বসু এদিন অভিযোগ করেছেন, এই ঘটনার সঙ্গে জামাত ও বাংলাদেশের অনুপ্রবেশকারীদের যোগ থাকতে পারে। এই ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার সকালে বাজি কারখানার ভয়াবহ বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল নৈহাটির দেবক এলাকা। বাজি কারখানার বিস্ফোরণের তীব্রতা যে মামুলি নয় তা বোঝা গিয়েছিল স্থানীয়দের কথাতেই। শুধু নৈহাটি নয়, বিস্ফোরণে কেঁপে উঠেছিল গঙ্গার ওপারের হুগলিও। চুঁচুড়ার আখনবাজার, প্রেমনগর এলাকার বাসিন্দারা জানিয়েছিলেন তাঁরাও কম্পন টের পেয়েছেন।

এক বছর আগেও একবার বিস্ফোরণ ঘটেছিল এই কারখানায়। সেবার মারা গিয়েছিলেন পাঁচ জন। তার পরেও ওই বাজি কারখানা চলছিল পর্যাপ্ত সতর্কতা ছাড়াই। আর এতেই পুলিশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন স্থানীয়রা। এলাকাবাসীর একাংশের মতে এই এলাকায় এ ধরনের অনেক বেআইনি বাজি কারখানা রয়েছে। অভিযোগ, পুলিশকে টাকা দিয়েই মালিকরা সেগুলো চালায়। স্থানীয়দের অনেকেরই অভিযোগ, বাজি কারখানার আড়ালে এইসব কারখানায় মজুত থাকে অতি সক্রিয় বিস্ফোরক।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More