হেলিকপ্টারে কল্যাণকে সঙ্গে নিলেন দিদি, তা নিয়েও দলের মধ্যে আলোচনা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কাল ও পরশু দুদিন বাঁকুড়া সফর রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। সে জন্য রবিবার বিকেলেই বাঁকুড়ায় পৌঁছে গেলেন দিদি। হেলিকপ্টারে সঙ্গে নিলেন শ্রীরামপুরের সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

বিকেল থেকে তা নিয়েও আলোচনা তৃণমূলে তথা রাজ্য রাজনীতিতে। কল্যাণই কেন? এরও কি কোনও বার্তা রয়েছে?

গত কয়েক দিন ধরে খবরে রয়েছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারী সভা করার পর তাঁকে উদ্দেশ করে যা নয় তাই বলেছিলেন কল্যাণ। যদিও শুভেন্দুর নাম তিনি করেননি। তবে বলেছিলেন, দিদি না থাকলে মিউনিসিপ্যালিটির বাইরে আলু বেচতিস রে আলু বেচতিস।

কল্যাণের এই লাইনের সঙ্গে অবশ্য তৃণমূলের সরকারি অবস্থানের মিল নেই। বরং দূরত্বটা স্পষ্ট। কারণ, শুভেন্দু নিয়ে প্রশ্ন করা হলেই তৃণমূলের মুখপাত্ররা এখন ভাঙা রেকর্ডের মতো বলছেন, শুভেন্দু দলের বিশিষ্ট নেতা। দলের সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারক কমিটির সদস্য এবং গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী।

কিন্তু দিদি কল্যাণকে হেলিকপ্টারে তোলার পর থেকেই জল্পনা শুরু হয়েছে, তা হলে কি সেই দূরত্ব নিতান্তই লোক দেখানো। কল্যাণের বাণীর নেপথ্যে দলের উপরতলার কি ইন্ধন রয়েছে?

ঘটনা হল, শুভেন্দু অধিকারী আগে বাঁকুড়া জেলার পর্যবেক্ষক ছিলেন। কিন্তু লোকসভা ভোটের পর তিনি বাঁকুড়ায় বিশেষ সময় দিতে পারছিলেন না। কারণ, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, উত্তর দিনাজপুরের পর্যবেক্ষকও ছিলেন তিনি। তাই কল্যাণকেও বাঁকুড়া দেখতে বলেছিল দল। তবে ইদানীং ওভাবে জেলাওয়াড়ি পর্যবেক্ষক ব্যবস্থা আর নেই।

তৃণমূলের অনেকের মতে, এও হতে পারে যে, যেহেতু কল্যাণ বাঁকুড়ার দায়িত্ব ছিলেন তাই তাঁকে হেলিকপ্টারে সঙ্গে নিয়েছেন দিদি। হয়তো এর পিছনে তেমন কোনও রাজনৈতিক বার্তা নেই।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More