কয়লা পাচার কাণ্ডে বাংলাজুড়ে তল্লাশি ইডি-র, দুবাই যোগ খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: সিবিআই তদন্ত চালাচ্ছে। সোমবার থেকে কয়লা পাচার কাণ্ডে কোমর বেঁধে নামল আর এক কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। কলকাতা, হাওড়া, হুগলির বিভিন্ন জায়গায় এদিন সকাল থেকে তল্লাশি শুরু করেছেন গোয়েন্দারা।

কয়লা পাচার কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত অনুপ মাঝি ওরফে লালার খোঁজ পায়নি সিবিআই। দিন ১৫ আগে লালা ঘনিষ্ঠ কলকাতার ব্যবসায়ী গণেশ বাগাড়িয়ার বাড়ি ও অফিসে তল্লাশি চালিয়েছিলেন গোয়েন্দারা। সোমবার ইডি আধিকারিকরাও পৌঁছে গিয়েছেন গণেশ বাগাড়িয়ার সল্টলেকের বাড়ি এবং বাঙ্গুর অ্যাভিনিউয়ের ফ্ল্যাটে।

এর আগে জানা গিয়েছিল, গণেশ বাগাড়িয়া দুবাইতে রয়েছেন। সিবিআইয়ের তরফে নোটিস জারি করে বলা হয়েছিল তিনি যেন নিজাম প্যালেসে দেখা করেন। জানা যাচ্ছে, দুবাই থেকে এই ব্যবসায়ী ফিরলেও সিবিআই দফতরে হাজিরা দেননি।

গরু পাচার কাণ্ডে কয়েক দিন আগে হুগলির কোন্নগরে দুই ব্যবসায়ীর বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। জানা গিয়েছিল, নিরজ সিং এবং অমিত সিং দুই ভাই মিলে বন্ধ হয়ে যাওয়া হিন্দমোটর কারখানার পরিত্যক্ত অংশকে ব্যবহার করে গরু পাচারের কারবার চালাতেন। এদিন কানাইপুরের শাস্ত্রীনগরে ফের নিরজ, অমিতদের বাড়িতে হানা দিয়েছে ইডি।

শুধু ব্যবসায়ীদের বাড়ি নয়। ইডির নিশানায় ইসিএল আধিকারিকরাও। জানা যাচ্ছে, হুগলির শ্রীরামপুরে এক ইসিএল কর্তার বাড়িতেও তল্লাশি চালাচ্ছেন ইডি আধিকারিকরা। এর আগেও সিবিআই একাধিক কোলফিল্ড কর্তার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল। গ্রেফতারও করা হয়েছিল কয়েকজনকে। ফের এক কোল কর্তার বাড়িতে হানা দিল কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি।

তদন্তকারীরা মনে করছেন, দুবাইয়ের সঙ্গে বড়সড় যোগ রয়েছে এই পাচারচক্রের। কারণ হাওয়ালার মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা দুবাইয়ে পাচার হয়েছে বলে খবর। সেসবই খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। এদিন সিজিও কমপ্লেক্স থেকে ২০টি গাড়িতে করে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় তল্লাশি অভিযানে বেরিয়েছেন ইডি আধিকারিকরা।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More