প্রাক্তন বিধায়কের অফিসে আয়কর হানা, ফলের আড়ালে কয়লা পাচারের কারবার?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কলকাতার অন্যতম বড় ফ্রুট মার্চেন্ট। মেছুয়া পট্টিতে তাঁর কোটি কোটি টাকার ব্যবসা। সেই তিনি,  প্রাক্তন আরজেডি বিধায়ক মহম্মদ সোহরাবের হোটেল এবং অফিসে হানা দিলেন আয়কর দফতরের কর্তারা।

জানা গিয়েছে, এদিন শহরের ২০-২৫টি জায়গায় তল্লাশিতে নেমেছেন তাঁরা। ২০০-২৫০ জন আয়কর কর্তা এই তল্লাশি অভিযান চালাচ্ছেন। এদিন সিবিআইও পৃথক ভাবে কয়লা ও গরু পাচারের তদন্তে তল্লাশি চালাচ্ছে বিভিন্ন জায়গায়।
আয়কর দফতর সূত্রের খবর, ফল ব্যবসার আড়ালে কয়লা ও গরু পাচারের টাকা বিদেশে পাচার করতেন কিনা মহম্মদ সোহরাব তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। বাংলাদেশ যোগ রয়েছে বলেও সন্দেহ করছেন আয়কর আধিকারিকরা।

সোহরাবের ছেলে কয়েক বছর আগে সংবাদ শিরোনামে এসেছিল। রেড রোডে প্রজাতন্ত্র দিবসের কুচকাওয়াজের মহড়া চলাকালীন এক জওয়ানকে গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে দিয়েছিল ওই তরুণ। তা নিয়ে বিস্তর বিতর্ক হয়েছিল। জানা যাচ্ছে, সেই সময় থেকেই আয়কর কর্তাদের আতস কাচের নিচে ছিলেন সোহরাব।

বেলা পৌনে একটা পর্যন্ত খবর, এমজি রোডে সোহরাবের গেস্ট হাউস ও মেছুয়াপট্টির অফিসে তল্লাশি চালাচ্ছেন আয়কর কর্তারা।
ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, হাওয়ালার মাধ্যমে কয়লা ও গরু পাচারের টাকা দুবাইয়ে পাঠানো হত। গনেশ বাগাড়িয়া, বিনয় মিশ্রদের বাড়ি অফিসে ইতিমধ্যেই দফায় দফায় তল্লাশি চালিয়েছে সিবিআই। জানা যাচ্ছে গনেশ বাগাড়িয়ার সঙ্গেও সোহরাবের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। আয়কর কর্তারা সেসবই খতিয়ে দেখতে চাইছেন।

বিঃদ্রঃ- প্রাথমিক ভাবে এই প্রতিবেদনে মহম্মদ সোহরাবের পরিচয় লেখা হয়েছিল প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক বলে। এই অনিচ্ছাকৃত ভুলের জন্য আমরা দুঃখিত।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More