মহাগুরু পৌঁছে গেছেন মধ্যরাতেই, মোদীর মঞ্চে থাকছেন মিঠুন

দ্য ওয়াল ব্যুরো: শনিবার দুপুরে কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছিলেন, রবিবার ব্রিগেডে থাকবেন মিঠুন চক্রবর্তী। কথা মতো শনিবার মধ্যরাতে কলকাতায় পৌঁছেছেন মিঠুন। রাতে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে যান বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

কলকাতায় পৌঁছে মিঠুন ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করে বলেছেন, “ব্রিগেডে কিছু একটা তো হবে!” তবে কী হবে তা নিয়ে সাসপেন্স রাখতে চেয়েছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। তিনি সরাসরি বিজেপিতে যোগ দেবেন নাকি ভোটের প্রচারে অংশ নেবেন তা খোলসা করেননি। বেলা ১২ টা নাগাদ ব্রিগেডে পৌঁছবেন মিঠুন।

বিজেপির বিরুদ্ধে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সহ তৃণমূল যখন বহিরাগত অস্ত্রে আক্রমণ করছেন তখন বাঙালির অন্যতম আবেগের নামকে নিজেদের মঞ্চে এনে হাজির করতে চলেছে বিজেপি। যিনি আবার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদও বটে।

রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘের সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবত তাঁর বাড়িতে গিয়ে দেখা করে এসেছেন। তারপর থেকেই জল্পনা তুঙ্গে উঠেছিল। সন্দেহ নেই মিঠুন চক্রবর্তী বাংলার মানুষের কাছে একটি নাম। তাঁর উপস্থিতি ব্রিগেড সমাবেশে আলাদা উন্মাদনা তৈরি করবে বলেই মত অনেকের।

একটা সময়ে মিঠুন ছিলেন বামেদের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। বলা ভাল প্রয়াত প্রাক্তন ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর ঘরের লোক ছিলেন তিনি। সুভাষবাবুর মৃত্যুর পর তৎকালীন পূর্ব বেলগাছিয়া কেন্দ্রে সিপিএম প্রার্থী করে ছিল স্ত্রী রমলা চক্রবর্তীকে। সেই প্রচারেও দেখা গিয়েছিল মিঠুনকে।

বাম জমানার অবসানের পর তৃণমূলের সঙ্গে তথা দিদির সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা গড়ে ওঠে মিঠুনের। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁকে রাজ্যসভায় সাংসদও করেছিলেন। কিন্তু চিটফান্ড কেলেঙ্কারিতে নাম জড়ানোয় মিঠুন মাঝ মেয়াদেই রাজ্যসভা থেকে ইস্তফা দেন। তারপর বেশ কিছুদিন রাজনীতি থেকে দূরেই ছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরেই তাঁর গেরুয়া যোগ নিয়ে জল্পনা তৈরি হতে থাকে।

মাস কয়েক আগে নাগপুরে আরএসএস সদরেও গিয়েছিলেন মিঠুন। সেই সময় অবশ্য সঙ্ঘের তরফে বলা হয়েছিল, তিনি আরএসএস-এর নিয়মকানুন জানতে গিয়েছিলেন। শেষপর্যন্ত রবিবাসরীয় ব্রিগেডের মঞ্চে থাকছেন মিঠুন চক্রবর্তী।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More