সাঁওতালি অভিনেত্রী বীরবাহাও তৃণমূলে, তাঁকে বরণ করে নিলেন পার্থ

দ্য ওয়াল ব্যুরো: বুধবার সকালে তৃণমূল ভবনে গিয়ে জোড়া ফুলের পতাকা নিয়েছিলেন অভিনেত্রী সায়ন্তিকা। বিকেলে আবার তৃণমূলে সামিল হলেন সাঁওতালি অভিনেত্রী বীরবাহা হাঁসদা। তাঁর হাতে পতাকা তুলে দেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

কে এই বীরবাহা?

ঝাড়গ্রামের এই ভূমিকন্যার বাবা হলেন নরেন হাঁসদা। যিনি ঝাড়খণ্ড পার্টির নরেন গোষ্ঠীর প্রতিষ্ঠাতা। মা চুনিবালা হাঁসদা ছিলেন বিহারের বিধায়ক। সেদিক থেকে দেখতে গেলে বীরবাহার রক্তে রয়েছে রাজনীতি। ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে ঝাড়খণ্ড পার্টি (নরেন)-এর হয়ে ঝাড়গ্রাম লোকসভা কেন্দ্রে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন বীরবাহা হাঁসদা।

২০০৮ সালে তাঁর অভিনীত প্রথম ছবি হচ্ছে ‘আদ আলম আসঃ আ’। এই ছবির মাধ্যমে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান এবং প্রথমবারের মতো ‘রাসকা’ পুরষ্কার পান। এরপের তিনি একে একে ‘আচ্ছা ঠিক গেয়া’, ‘আঁস তাহে এনা আমরে’, ‘আমগে সারি দুলারিয়া’, ‘তড়ে সুতাম’, ‘জুপুর জুলি’, ‘আলম রেজেঞ্চা সাকম সিন্দুর’, ‘মলং’, ‘ফুলমনি’, সহ একাধিক সাঁওতালি ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন। সাঁওতালি মিউজিক ভিডিওতেও বীরবাহা অতি পরিচিত মুখ।

এদিন তৃণমূলে যোগ দিয়ে বীরবাহা বলেন, “আমি অনেকদিন ধরেই মানুষের জন্য কাজ করছি। সেটা আরও বড় পরিসরে করার জন্য একটা মঞ্চ দরকার ছিল। সেই কারণেই আমি তৃণমূলে যোগ দিয়েছি।”


ভোটের আগে সেলিব্রিটিদের কোনও দলে যোগ মানেই কৌতূহল তৈরি হয় প্রার্থী হবেন কিনা। লোকসভা ভোটে জঙ্গলমহলের আদিবাসী মহল্লায় তৃণমূলের পায়ের তলার মাটি ধসে গেছিল। অনগ্রসর শ্রেণির মন পেতে বীরবাহাকে পশ্চিমাঞ্চলের কোনও কেন্দ্রে দিদি প্রার্থী করেন কিনা সেটা দেখার। তা ছাড়া বীরবাহাকে প্রার্থী করলে ঝাড়খণ্ড পার্টির নরেন গোষ্ঠীর যতটুকু শক্তি রয়েছে তাকেও তৃণমূল পাশে পেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More