তৃণমূলের মন্ত্রীর বিরুদ্ধে মারাত্মক অভিযোগ শুভেন্দুর, বললেন, ‘দেখুন না এ বার পিংলা থেকে পালাচ্ছে’

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রাজ্যের জনস্বাস্থ্য কারিগরি মন্ত্রী তথা পূর্ব মেদিনীপুরের তৃণমূল জেলা সভাপতি সৌমেন মহাপাত্রর বিরুদ্ধে বুধবার বড় অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর বিধানসভা কেন্দ্রে দাঁড়িয়েই অভিযোগ করলেন, সৌমেন মাহপাত্রর লোকেরা সরকারের চুক্তিভিত্তিক কাজে লোক নিয়োগ করিয়ে টাকা তুলেছে।

এদিন পিংলায় সভা ছিল শুভেন্দুর। সেই সভা থেকে শুভেন্দু বলেন, “২০১৬ সালে এখানে এসে বলেছিল মডেল পিংলা করব। চাকরি দেব। আর কী হয়েছে? ওঁর লোকেরা, দালালগুলো কন্ট্র্যাক্টচুয়ালে চাকরি দিয়ে টাকা তুলেছে কি না বলুন আপনারা? এখানকার সব বুথের খবর আমার কাছে আসে।”

শুধু তাই নয়, পেশায় অধ্যাপক সৌমেনবাবুর ‘রাজনৈতিক ধান্দাবাজি’ নিয়েও সরব হন শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “এখানকার বিধায়ক এক জায়গায় দু’বার দাঁড়ান না। আপনারা বুঝতে পারছেন, আমি সৌমেন মহাপাত্রর কথা বলছি।”

এরপরেই ২০০১ থেকে তাঁর ইতিহাস বলা শুরু করেন শুভেন্দু। নন্দীগ্রাম আন্দোলনের নেতা বলেন, “২০০১ সালে নন্দনপুরে দাঁড়িয়েছিল। ভেবেছিল জিতবে। কিন্তু জেতেনি। ২০০৬-এ হাওয়া খারাপ দেখে বলল আর রাজনীতি করবেন না। ২০০৭-এর ১৪ মার্চের পর থেকে আমার পিছন পিছন ঘোরা শুরু করল। আমি দেখলাম অধ্যাপক মানুষ। ’১১-র ভোটে তমলুকে প্রার্থী করলাম। কাঁধে করে বইলাম। ১৬-তে বুঝল তমলুকে জিতবে না তাই পিংলায় চলে এসেছিল। এখন আবার তমলুকে গিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”

শুভেন্দুর এ হেন মন্তব্যের জবাবও দিয়েছেন সৌমেন মহাপাত্র। তিনি বলেন, “আপনি আচরি ধর্ম পরেরে শিখাও। ওনারও রেকর্ড রয়েছে। প্রথমে মুগবেড়িয়া, তারপর দক্ষিণ কাঁথি, তারপর নন্দীগ্রাম। উনিও একই পথের পথিক”। তাঁর কথায়, “আমি নেত্রীর নির্দেশ পালন করেছি। যেখানে বিধায়ক ছিলাম সেখানকার মানুষ জানে কী করেছি”।

পিংলায় তৃণমূলের ‘সম্ভাব্য’ প্রার্থীর বিরুদ্ধেও চোখা আক্রমণ শানান শুভেন্দু। বলেন, “এখন যাঁকে প্রার্থী করবে ভাবছে তাঁকে তো আপনারা জানেন। কী বাড়ি ছিল কী হয়েছে, গালগুলো কেমন চকচক করছে। মেদিনীপুরের বিউটিপার্লারে গিয়ে বসে থাকে। জানি না এসব শুনে আবার তাঁকে বিহারের ৫০০ কোটি টাকার বুদ্ধিদাতারা দাঁড় করাবে কিনা।”

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More