নবমীর সকালেও মুখভার আকাশের, বেলা বাড়লে বাড়তে পারে বৃষ্টি, পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের

দ্য ওয়াল ব্যুরো: হাওয়া অফিস আগেই জানিয়েছিল নবমী থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ এবং স্থায়িত্ব। ষষ্ঠী থেকে অষ্টমী পর্যন্ত হাল্কা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হলেও নমবী এবং দশমীতে দুর্যোগের আশঙ্কা ছিলই। পূর্বাভাস খানিকটা মিলিয়ে দিয়েই নবমীর সকাল থেকে মুখভার আকাশের। ভোররাত থেকেই বিভিন্ন জায়গায় শুরু হয়েছে মেঘের তর্জন-গর্জন। তারপর বজ্রবিদ্যুৎ সহ দু-একপশলা বিক্ষিপ্ত বৃষ্টিও হয়েছে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়।

জানা গিয়েছে, এ দিন বৃষ্টি হয়েছে পূর্ব বর্ধমান এবং নদিয়া জেলার বেশ কিছু অংশে। বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই পায়নি উত্তরের জেলা শিলিগুড়িও। নবমীর সকাল থেকেই সেখানকার বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি হচ্ছে বলে খবর। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আজ সারাদিন মেঘলা থাকবে আকাশ। পাশাপাশি বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। নবমী এবং দশমী এই দু’দিনের রাজ্যের প্রায় সব জায়গাতেই হাল্কা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে পূর্বাভাস হাওয়া অফিসের। 

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, নবমীর দিন দুপুরের পর থেকে বাড়তে পারে বৃষ্টির পরিমাণ এবং স্থায়িত্ব। বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে হুগলি এবং উত্তর চব্বিশ পরগণায়। বাদ যাবে না কলকাতা সহ অন্যান্য জেলাও। বৃষ্টির সঙ্গে সঙ্গে বইতে পারে ঝোড়ো হাওয়াও। পুজোর শেষদিনে তাই মণ্ডপে ঘুরে ঠাকুর দেখার আনন্দ মাটি হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন সাধারণ মানুষ। চিন্তায় রয়েছেন পুজো উদ্যোক্তারাও। আজ শহরের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, ঝাড়খণ্ডের উপর একটি ঘূর্ণাবর্ত তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি সক্রিয় মৌসুমী বায়ুও। যেহেতু বর্ষার সময়কালের মধ্যে এ বছর পুজো পড়েছে, তাই বৃষ্টির আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। তার উপরে মৌসুমী বায়ু সক্রিয় থাকায় মাঝেমধ্যে ঝমঝমিয়ে বৃষ্টি নামার সম্ভাবনা প্রবল। বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতেও।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More