মুকুল রায় কি রাজ্যসভায় যাবেন, সঙ্গে জেড শ্রেণির নিরাপত্তা, শুভ্রাংশু যুব তৃণমূলের বড় পদে?

দ্য ওয়াল ব্যুরো: একদা সর্বভারতীয় তৃণমূলের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন মুকুল রায়। সেই সঙ্গে রাজ্যসভার সদস্য ছিলেন। শুক্রবার আনুষ্ঠানিক ভাবে তাঁর ঘরওয়াপসির পর এখন স্বাভাবিক কৌতূহলের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, মুকুল রায়কে কী পদ দেবেন দিদি?

এ প্রশ্ন এদিন সাংবাদিক বৈঠকেও উঠেছিল। জবাবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, মুকুল আগের মতই দলে গুরুত্ব পাবে। কী পদ পাবেন, সে ব্যাপারে আমরা আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেব।

দিদি এ কথা বললেও, তৃণমূলের অনেকেরই ধারণা যে প্রাথমিক একটা আলোচনা মমতা-মুকুলের মধ্যে নিশ্চয়ই হয়েছে। সূত্রের দাবি, গত কয়েক দিনে একাধিক বার দিদির সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে মুকুলবাবুর। তার পর আজ তৃণমূল ভবনে দুপুর আড়াইটে থেকে সাড়ে চারটে পর্যন্ত দু’ঘণ্টা দু’জনে মুখোমুখি বসে কথা বলেছেন।

তৃণমূলের এই নেতাদের মতে, অভিষেক সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক পদের দায়িত্ব পেয়েছেন। সুতরাং মুকুল রায়ের পুরনো পদ ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে রাজ্যসভার আসন্ন নির্বাচনে অবধারিত ভাবে তাঁকে হয়তো মনোনীত করবে দল। ২০১৭ সালে তৃণমূল ছাড়ার সময়ে দলের রাজ্যসভার সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন মুকুলবাবু। সেদিনই তাঁর নিরাপত্তা তুলে নিয়েছিল রাজ্য সরকার। মুকুলবাবু তৃণমূলে যোগ দেওয়ার পর এ বার তাঁর নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়া হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। তিনি জেড শ্রেণির নিরাপত্তা পেতে পারেন। শুভ্রাংশু পেতে পারেন ওয়াই প্লাস ক্যাটাগরির নিরাপত্তা।

মুকুলবাবু কৃষ্ণনগর উত্তর আসনে এ বার জিতেছেন। কিন্তু বীজপুরে তাঁর পুত্র শুভ্রাংশু রায় জিততে পারেননি। অনেকে মনে করছেন, মুকুলবাবু রাজ্যসভায় মনোনীত হলে কৃষ্ণনগর উত্তর বা শান্তিপুর বিধানসভার উপনির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হতে পারেন শুভ্রাংশু। সেই সঙ্গে যুব তৃণমূলেও কোনও বড় সাংগঠনিক পদ পেতে পারেন মুকুল পুত্র।

সম্প্রতি তৃণমূলের সংগঠনে রদবদল হয়েছে। যুব তৃণমূলের রাজ্য সভানেত্রী পদের দায়িত্ব পেয়েছেন সায়নী ঘোষ। তৃণমূলের অনেকে মনে করছেন কালেভদ্রে যুব তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি হতে পারেন শুভ্রাংশু।

Leave a comment

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More