মমতার সভায় ঘেঁষাঘেঁষি জমায়েত, মাস্ক কই? ১১ মিনিটেই বক্তৃতা থামালেন দিদি

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার রাতেই তৃণমূলের তরফে বলা হয়েছে, কোভিডের কারণের দিদি কলকাতায় আর কোনও সভা করবেন না। ডেরেক ও’ব্রায়েন এও জানিয়েছিলেন, অন্যত্র যে যে সভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রয়েছে সেখানে বক্তৃতা হবে ছোট। আধঘণ্টারও কম।

সোমবার উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জের সভায় দেখা গেল দিদি সর্বসাকুল্যে বক্তৃতা দিলেন ১১ মিনিট ১০ সেকেন্ড। সেইসঙ্গে এও দেখা গেল গা ঘেঁষাঘঁষি জমায়েত। জমায়েতের অধিকাংশই ছিলেন মহিলা। তাঁদের মুখে মাস্কের দেখা নেই। হতে পারে সে কারণেই আধঘণ্টাও বক্তৃতা করলেন না মমতা।

এই কালিয়াগঞ্জই উনিশের লোকসভার ধাক্কার ছ’মাসের মধ্যে অক্সিজেন জুগিয়েছিল তৃণমূলকে। লোকসভায় প্রায় হাফ লাখ ভোটে পিছিয়ে থাকা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছিল তৃণমূল। যদিও সেই জয়ের নেপথ্যে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। এদিন কালিয়াগঞ্জ, চাকুলিয়া-সহ তিন প্রার্থীর সমর্থনে সভা করেন মমতা। চাকুলিয়ার বিধায়ক ফরওয়ার্ড ব্লকের আলি ইমরান রামজ ভিক্টর। এদিন মমতা বলেন, “বামপন্থীদের ভোট দিয়ে কোনও লাভ নেই। এখানে সিপিএম, কংগ্রেস সব বিজেপির দালালি করছে। ওদের ভোট দেবেন না।”

কোভিড পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে আগেই বামেরা বড় জমায়েত স্থগিত ঘোষণা করেছিল। সেই সময় মমতা বলেছিলেন, “পাচ্ছে না তাই খাচ্ছে না।” অর্থাৎ সিপিএমের সভায় লোকজন হচ্ছে না তাই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বামেরা। তবে কলকাতায় মমতার বড় সভা বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেকের মত, বিজেপিকে ঠেকাতেই আগেভাগে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তৃণমূলনেত্রী। কারণ কলকাতা তৃণমূলের শক্ত ঘাঁটি। কিন্তু অন্যান্য জেলার ক্ষেত্রে সভার সময় কম করার কথা বললেও বাতিলের কথা বলেননি মমতা।
তবে স্বাস্থ্য মহলের অনেকের মতে, সচেতন ভাবেই রাঝনৈতিক দলগুলির জমায়েত বন্ধ করে দেওয়া উচিত। কারণ নেতারা যদি না উপর থেকে দিশা না দেখান তাহলে নিচু তলায় কর্মীদের মধ্যে সচেতনতা গড়ে উঠবে না। ভোটের জন্য মরিয়া কর্মীবাহিনী করোনার তোয়াক্কা না করেই জমায়েত করবে। যা বড়সড় বিপদ ডেকে আনতে পারে।

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More