শনিবার, ফেব্রুয়ারি ১৬

#Breaking: চন্দ্রবাবুর অনুরোধে ধর্ণা তুলে নিলেন মমতা

দ্য ওয়াল ব্যুরো: রবিবার রাতে ধর্ণায় বসার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ফোন করেছিলেন চন্দ্রবাবু নায়ডু। মঙ্গলবার বিকেলে কলকাতায় পৌঁছে অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী চলে গিয়েছেন দিদির ধর্ণামঞ্চে। এর মধ্যে এ দিন দুপুরেই দেশের শীর্ষ আদালত সিবিআই-রাজীব কুমার মামলায় রায় দিয়ে দিয়েছে। অবশেষে চন্দ্রবাবু নায়ডুর অনুরোধে ধর্ণা প্রত্যাহার করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এ দিন মমতা বলেন, “এই ধর্ণা কোনও রাজনৈতিক ধর্না ছিল না। এটা সত্যাগ্রহ।” সোমবার সকালেই ধর্নামঞ্চে লেগে গিয়েছিল ব্যানার। ইংরাজি অক্ষরে লেখা ‘সেভ ইন্ডিয়া।’ এ দিন অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীকে পাশে দাঁড় করিয়ে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “দেশ এবং সংবিধান বাঁচাতে আমি এই ধর্ণা শুরু করেছিলাম। বিরোধী দলগুলির পক্ষ থেকে চন্দ্রবাবু আমায় অনুরোধ করেছেন ধর্ণা তুলে নিতে। তাই আমি প্রত্যাহার করছি।”

তবে ধর্মতলার ধর্ণামঞ্চ থেকেই মমতা ঘোষণা করে দেন, আগামী ১৩ এবং ১৪ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে ধর্ণায় বসবেন। থাকবেন বিজেপি-বিরোধী দলের সমস্ত নেতারা।এ দিন মমতা বলেন, “এই ধর্ণা গণতন্ত্রের জয়, সংবিধানের জয়।” সেই সঙ্গে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী এ-ও বলেন, “ধর্ণা প্রত্যাহার করা হলেও বিজেপি-র প্রতিহিংসার রাজনীতির বিরুদ্ধে লড়াই চলবে।”

এ দিন চন্দ্রবাবু নায়ডুও বলেন, “গোটা দেশ জুড়ে বিরোধীদের মেরুদণ্ড ভাঙতে বিজেপি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে ব্যবহার করছে। বাংলার ঘটনা তারই অংশ।” রাজীবকুমারের ধর্ণায় যোগ দেওয়া নিয়ে এ দিনই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। কিন্তু ধর্ণা প্রত্যাহারের পর বক্তৃতা দিতে গিয়ে কেন্দ্রের চিঠিকে ভ্যালুলেস বলেন মুখ্যমন্ত্রী।

আরও পড়ুন

#Breaking: রাজীব ধর্ণায় নয়, নিরাপত্তায় ছিলেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের চিঠি স্যাড-ব্যাড-ম্যাড: মমতা

Shares

Comments are closed.