কেশপুরেও তৃণমূল কর্মীকে কুপিয়ে খুন, বিজেপির দাবি গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব

দ্য ওয়াল ব্যুরো: কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস খুনের কিনারা হয়নি। উনিশের ভোটের আগে বিধায়ক খুনে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক চাপানউতোর তুঙ্গে। ফের প্রাণ গেল এক তৃণমূল কর্মীর। এ বারের ঘটনাস্থল পশ্চিম মেদিনীপুরের কেশপুর। তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে এই ঘটনা বলে প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ।

মৃতের নাম নন্দ পন্ডিত। বয়স ৬২ বছর। কেশপুর থানার ৪ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের কোনার এলাকার সক্রিয় তৃণমূল কর্মী। পুলিশ জানিয়েছে, কোনারেরই প্রাক্তন তৃণমূল বুথ সভাপতি অজিত পন্ডিতের পরিবারের সদস্য নন্দবাবু। গতকাল রাতে তাঁদের বাড়িতে হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী। গুরুতর জখম হন অজিতবাবু-সহ তাঁর পরিবারের তিন জন। রক্তাক্ত অবস্থায় তাঁদের মেদিনীপুর মেডিকেল কলেজে নিয়ে গেলে নন্দবাবুকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। হাসপাতাল সূত্রে খবর, বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ৪ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতে এলাকা দখল নিয়ে শাসক দলের দুই শিবিরের মধ্যে ঝামেলা দীর্ঘদিনের। দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি এমনকি গুলি চলার ঘটনাও আগে ঘটেছে। অজিতবাবুর পরিবারের দাবি, গতকাল রাতে দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় তাঁদের বাড়িতে। আততায়ীদের হাতে লাঠি, টাঙি-সহ নানা ধারালো অস্ত্র ছিল। প্রথমে কথা কাটাকাটি, পরে পরিবারের পুরুষ সদস্যদের এলোপাথাড়ি মারতে শুরু করে তারা। স্থানীয়রা ছুটে এলে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।

তৃণমূল জেলা সভাপতি অজিত মাইতির কথায়, “কে বা কারা খুন করেছে সেটা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।” ঘটনা প্রসঙ্গে বিজেপির জেলা সভাপতি সমিত ঘোষের দাবি, “কেশপুরে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব দীর্ঘদিনের। শুধু কেশপুর নয়, রাজ্যের যেখানে যেখানে তৃণমূল কর্মী-সমর্থকদের মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে তার পিছনে রয়েছে দলের অন্তর্কলহ। এখানেও একই ঘটনা ঘটেছে।”

আরও পড়ুন:

কাঁথির তৃণমূল নেতার গলা কাটা দেহ মিলল হুগলির দাদপুরে

কাঁথির তৃণমূল নেতার গলা কাটা দেহ মিলল হুগলির দাদপুরে

 

You might also like
Comments
Loading...

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More